কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু প্রযুক্তির ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই—এটি দ্রুত বদলে দিচ্ছে ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণের পুরো জগৎ। স্ক্রিপ্ট লেখা থেকে শুরু করে সিনেমাটিক ভিডিও তৈরি, চরিত্রের ঠোঁট মেলানো, মুখাবয়ব পরিবর্তন, এমনকি কপিরাইটমুক্ত মিউজিক তৈরি—সবই এখন সম্ভব এআই প্রযুক্তির সাহায্যে। শুধু তাই নয়, কিছু টুল ব্যবহার করে পুরো ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনও তৈরি করা যাচ্ছে সহজেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দক্ষতার চাহিদা এখন তিন ধরনের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রথমত, ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা, যারা দ্রুত এবং কম খরচে ভিডিও তৈরি করতে চান। দ্বিতীয়ত, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং পেশাজীবীরা, যারা ক্লায়েন্টদের জন্য বিজ্ঞাপন ও প্রোমোশনাল ভিডিও বানান। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা, যারা ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এগিয়ে থাকতে নতুন দক্ষতা অর্জন করছেন।
আরও পড়ুন, এআই যুগে বদলে যাচ্ছে অনলাইন সার্চ ব্যবস্থা
২০২৬ সালে এসে এই প্রযুক্তির চাহিদা আরও বেড়েছে। কারণ ইউটিউব, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম এখন ভিডিও কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যেখানে ক্লায়েন্টরা এখন কম সময়ে উচ্চমানের ভিডিও প্রত্যাশা করছেন। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে এআই ভিডিও কনটেন্ট তৈরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রশিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে অন্যতম ওবায়দুর রহমান। তাঁর “AI Cinematic Masterclass” বাংলা ভাষায় তিন ঘণ্টার রেকর্ডেড কোর্স হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই অংশ নেওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন, চাঁদের অজানা দিক দেখে অভিভূত নভোচারীরা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ এখন আর ভবিষ্যতের দক্ষতা নয়—এটি বর্তমানের বাস্তব প্রয়োজন। যারা এই দক্ষতা অর্জন করবে, তারা বৈশ্বিক ডিজিটাল বাজারে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
বিষয় : এআই প্রশিক্ষণ ভিডিও নির্মাণ

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন শুধু প্রযুক্তির ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই—এটি দ্রুত বদলে দিচ্ছে ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণের পুরো জগৎ। স্ক্রিপ্ট লেখা থেকে শুরু করে সিনেমাটিক ভিডিও তৈরি, চরিত্রের ঠোঁট মেলানো, মুখাবয়ব পরিবর্তন, এমনকি কপিরাইটমুক্ত মিউজিক তৈরি—সবই এখন সম্ভব এআই প্রযুক্তির সাহায্যে। শুধু তাই নয়, কিছু টুল ব্যবহার করে পুরো ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনও তৈরি করা যাচ্ছে সহজেই।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দক্ষতার চাহিদা এখন তিন ধরনের মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। প্রথমত, ইউটিউবার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা, যারা দ্রুত এবং কম খরচে ভিডিও তৈরি করতে চান। দ্বিতীয়ত, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং পেশাজীবীরা, যারা ক্লায়েন্টদের জন্য বিজ্ঞাপন ও প্রোমোশনাল ভিডিও বানান। তৃতীয়ত, শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা, যারা ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে এগিয়ে থাকতে নতুন দক্ষতা অর্জন করছেন।
আরও পড়ুন, এআই যুগে বদলে যাচ্ছে অনলাইন সার্চ ব্যবস্থা
২০২৬ সালে এসে এই প্রযুক্তির চাহিদা আরও বেড়েছে। কারণ ইউটিউব, ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম এখন ভিডিও কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যেখানে ক্লায়েন্টরা এখন কম সময়ে উচ্চমানের ভিডিও প্রত্যাশা করছেন। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে এআই ভিডিও কনটেন্ট তৈরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রশিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান। তাদের মধ্যে অন্যতম ওবায়দুর রহমান। তাঁর “AI Cinematic Masterclass” বাংলা ভাষায় তিন ঘণ্টার রেকর্ডেড কোর্স হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই অংশ নেওয়া সম্ভব।
আরও পড়ুন, চাঁদের অজানা দিক দেখে অভিভূত নভোচারীরা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআইভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ এখন আর ভবিষ্যতের দক্ষতা নয়—এটি বর্তমানের বাস্তব প্রয়োজন। যারা এই দক্ষতা অর্জন করবে, তারা বৈশ্বিক ডিজিটাল বাজারে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন