কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট যেমন চ্যাট জিপিটি ও গুগল জেমিনি এখন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। লেখালেখি, তথ্য অনুসন্ধান, বাজেট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে নানা কাজে এসব এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। তবে প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা বলছেন, অসাবধানতাবশত কিছু ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য এআই চ্যাটবটে শেয়ার করলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি, তথ্য ফাঁস কিংবা সাইবার হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন, সাইবার নিরাপত্তায় নতুন ডিভাইস ‘সাইলেন্টগ্লাস’ উন্মোচন
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া তথ্য অনেক সময় সার্ভারে সংরক্ষিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে ডেটা লিক বা হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ায়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বিশেষভাবে যেসব তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক বা ইমেইল পাসওয়ার্ড, ওটিপি ও পিন নম্বর। এসব তথ্য ফাঁস হলে মুহূর্তেই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
এছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য এবং বিস্তারিত আর্থিক লেনদেনও শেয়ার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রের গোপন নথি, ব্যবসায়িক কৌশল বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড কখনোই এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা উচিত নয়। ইতোমধ্যে অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের এ ধরনের তথ্য ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন, স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রতিযোগিতা জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ
জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, মেডিক্যাল রিপোর্ট কিংবা ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করাও নিরাপদ নয়। এসব তথ্য পরিচয় চুরি বা গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পারিবারিক, মানসিক বা আইনি জটিলতার মতো গভীর ব্যক্তিগত তথ্যও এআই চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এসব ডেটা রিভিউ বা মনিটরিংয়ের সময় অন্যদের নজরে আসতে পারে।
আরও পড়ুন, স্কটল্যান্ডে ৫ হাজার বছরের পুরোনো দ্বীপের সন্ধান
সাইবার নিরাপত্তা গবেষকদের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো— যে তথ্য আপনি কোনো অপরিচিত মানুষের সঙ্গে শেয়ার করবেন না, তা এআই চ্যাটবটের সঙ্গেও শেয়ার করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, এআই ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সেটিংস যাচাই করা এবং ডেটা ট্রেনিং অপশন বন্ধ রাখা উচিত। পাশাপাশি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট যেমন চ্যাট জিপিটি ও গুগল জেমিনি এখন দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। লেখালেখি, তথ্য অনুসন্ধান, বাজেট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে নানা কাজে এসব এআই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। তবে প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তারা বলছেন, অসাবধানতাবশত কিছু ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য এআই চ্যাটবটে শেয়ার করলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি, তথ্য ফাঁস কিংবা সাইবার হামলার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
আরও পড়ুন, সাইবার নিরাপত্তায় নতুন ডিভাইস ‘সাইলেন্টগ্লাস’ উন্মোচন
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই প্ল্যাটফর্মে দেওয়া তথ্য অনেক সময় সার্ভারে সংরক্ষিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে ডেটা লিক বা হ্যাকিংয়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ায়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বিশেষভাবে যেসব তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে ব্যাংক বা ইমেইল পাসওয়ার্ড, ওটিপি ও পিন নম্বর। এসব তথ্য ফাঁস হলে মুহূর্তেই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে আর্থিক ক্ষতি হতে পারে।
এছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য এবং বিস্তারিত আর্থিক লেনদেনও শেয়ার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রের গোপন নথি, ব্যবসায়িক কৌশল বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড কখনোই এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা উচিত নয়। ইতোমধ্যে অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের এ ধরনের তথ্য ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন, স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রতিযোগিতা জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ
জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, মেডিক্যাল রিপোর্ট কিংবা ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করাও নিরাপদ নয়। এসব তথ্য পরিচয় চুরি বা গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পারিবারিক, মানসিক বা আইনি জটিলতার মতো গভীর ব্যক্তিগত তথ্যও এআই চ্যাটবটে না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এসব ডেটা রিভিউ বা মনিটরিংয়ের সময় অন্যদের নজরে আসতে পারে।
আরও পড়ুন, স্কটল্যান্ডে ৫ হাজার বছরের পুরোনো দ্বীপের সন্ধান
সাইবার নিরাপত্তা গবেষকদের মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো— যে তথ্য আপনি কোনো অপরিচিত মানুষের সঙ্গে শেয়ার করবেন না, তা এআই চ্যাটবটের সঙ্গেও শেয়ার করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, এআই ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি সেটিংস যাচাই করা এবং ডেটা ট্রেনিং অপশন বন্ধ রাখা উচিত। পাশাপাশি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।

আপনার মতামত লিখুন