সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে নতুন এক হার্ডওয়্যারভিত্তিক ডিভাইস উন্মোচন করেছে যুক্তরাজ্যের সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা। ‘সাইলেন্টগ্লাস’ নামের এই গ্যাজেটটি প্রযুক্তি অঙ্গনে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। যুক্তরাজ্যের গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স বা জিসিএইচকিউ তাদের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের মাধ্যমে ডিভাইসটি চালু করেছে। সংস্থাটির দাবি, এটি কম্পিউটার ও ডিসপ্লের মধ্যকার ক্ষতিকর বা সন্দেহজনক ডেটা ট্রাফিক শনাক্ত এবং প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
আরও পড়ুন, স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রতিযোগিতা জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ
সরকারি সম্পদ সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি এই প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে ডিভাইসটি ইতোমধ্যে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। তবে এখনো এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বাজারে ছাড়া হয়নি। ডিভাইসটির ডিজাইনের লাইসেন্স পেয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গোল্ডিলক ল্যাবস। প্রতিষ্ঠানটি সাইবার হামলার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভৌত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেটওয়ার্কের ক্ষতি সীমিত করার প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করে। বৈশ্বিক বাজারে পণ্যটি সহজলভ্য করতে তারা সনি ইউকে টেকনোলজি সেন্টারের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে।
আরও পড়ুন, স্কটল্যান্ডে ৫ হাজার বছরের পুরোনো দ্বীপের সন্ধান
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাইলেন্টগ্লাস প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মতো কাজ করে না। এটি সরাসরি হার্ডওয়্যার পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কম্পিউটার ও মনিটরের মাঝখানে সংযুক্ত হয়ে এইচডিএমআই ও ডিসপ্লে পোর্টের মাধ্যমে আসা সন্দেহজনক ট্রাফিক ফিল্টার ও ব্লক করে ডিভাইসটি।
আরও পড়ুন, নিজের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই ভেঙে যেতে পারে মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে শুধু ই-মেইল বা ওয়েবসাইট নয়, হার্ডওয়্যার সংযোগও হ্যাকিংয়ের বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। আধুনিক মনিটর ও ডিসপ্লেতে থাকা ফার্মওয়্যার এবং ইউএসবি হাবের অপব্যবহার করে হ্যাকাররা হামলা চালাতে পারে। দেখতে সাধারণ অ্যাডাপ্টরের মতো হলেও ‘সাইলেন্টগ্লাস’ মূলত একটি ‘ডেটা ফায়ারওয়াল’ হিসেবে কাজ করে, যা ডিসপ্লে ও কম্পিউটারের মধ্যকার অননুমোদিত যোগাযোগ বন্ধ করে নিরাপত্তা বাড়াতে সক্ষম।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে নতুন এক হার্ডওয়্যারভিত্তিক ডিভাইস উন্মোচন করেছে যুক্তরাজ্যের সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা। ‘সাইলেন্টগ্লাস’ নামের এই গ্যাজেটটি প্রযুক্তি অঙ্গনে ইতোমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। যুক্তরাজ্যের গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স বা জিসিএইচকিউ তাদের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের মাধ্যমে ডিভাইসটি চালু করেছে। সংস্থাটির দাবি, এটি কম্পিউটার ও ডিসপ্লের মধ্যকার ক্ষতিকর বা সন্দেহজনক ডেটা ট্রাফিক শনাক্ত এবং প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
আরও পড়ুন, স্যাটেলাইট পাঠানোর প্রতিযোগিতা জলবায়ুর জন্য বড় বিপদ
সরকারি সম্পদ সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি এই প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে ডিভাইসটি ইতোমধ্যে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের অনুমোদন পেয়েছে। তবে এখনো এটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য বাজারে ছাড়া হয়নি। ডিভাইসটির ডিজাইনের লাইসেন্স পেয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গোল্ডিলক ল্যাবস। প্রতিষ্ঠানটি সাইবার হামলার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভৌত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেটওয়ার্কের ক্ষতি সীমিত করার প্রযুক্তি উন্নয়নে কাজ করে। বৈশ্বিক বাজারে পণ্যটি সহজলভ্য করতে তারা সনি ইউকে টেকনোলজি সেন্টারের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে।
আরও পড়ুন, স্কটল্যান্ডে ৫ হাজার বছরের পুরোনো দ্বীপের সন্ধান
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাইলেন্টগ্লাস প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মতো কাজ করে না। এটি সরাসরি হার্ডওয়্যার পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কম্পিউটার ও মনিটরের মাঝখানে সংযুক্ত হয়ে এইচডিএমআই ও ডিসপ্লে পোর্টের মাধ্যমে আসা সন্দেহজনক ট্রাফিক ফিল্টার ও ব্লক করে ডিভাইসটি।
আরও পড়ুন, নিজের ধ্বংসাবশেষের আঘাতেই ভেঙে যেতে পারে মঙ্গলের উপগ্রহ ফোবোস
সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে শুধু ই-মেইল বা ওয়েবসাইট নয়, হার্ডওয়্যার সংযোগও হ্যাকিংয়ের বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। আধুনিক মনিটর ও ডিসপ্লেতে থাকা ফার্মওয়্যার এবং ইউএসবি হাবের অপব্যবহার করে হ্যাকাররা হামলা চালাতে পারে। দেখতে সাধারণ অ্যাডাপ্টরের মতো হলেও ‘সাইলেন্টগ্লাস’ মূলত একটি ‘ডেটা ফায়ারওয়াল’ হিসেবে কাজ করে, যা ডিসপ্লে ও কম্পিউটারের মধ্যকার অননুমোদিত যোগাযোগ বন্ধ করে নিরাপত্তা বাড়াতে সক্ষম।

আপনার মতামত লিখুন