কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। (১০ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর দক্ষিণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, বাজারের একটি কাঠের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গভীর রাতে আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও কাঠ ও দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরো পড়ুন , পত্নীতলা থানা পুলিশের অভিযানে আটক ১
তবে ততক্ষণে ব্যবসায়ী তাহেরের তিনটি, আতিকের দুটি এবং ইউনুছের একটি কাঠের দোকানসহ অন্তত ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তারা দোকান থেকে কোনো কিছুই বের করতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান বলেন, আগুন লাগার স্থানটি তাদের স্টেশন থেকে দূরে হওয়ায় দ্রুত পাশের কচুয়া ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। তাদের দ্রুত উপস্থিতির কারণেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।তিনি আরও জানান, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : ক্ষতি অগ্নিকাণ্ড দোকান

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। (১০ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার দোল্লাই নবাবপুর দক্ষিণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানান, বাজারের একটি কাঠের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। গভীর রাতে আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও কাঠ ও দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী কচুয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
আরো পড়ুন , পত্নীতলা থানা পুলিশের অভিযানে আটক ১
তবে ততক্ষণে ব্যবসায়ী তাহেরের তিনটি, আতিকের দুটি এবং ইউনুছের একটি কাঠের দোকানসহ অন্তত ৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তারা দোকান থেকে কোনো কিছুই বের করতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।চান্দিনা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অমিত হাসান বলেন, আগুন লাগার স্থানটি তাদের স্টেশন থেকে দূরে হওয়ায় দ্রুত পাশের কচুয়া ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। তাদের দ্রুত উপস্থিতির কারণেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।তিনি আরও জানান, আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন