জ্বালানি সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ঝিনাইদহের বোরো কৃষকেরা। বর্তমানে বোরো মৌসুমের আদর্শ সময় চলছে। এ সময় সেচ দিতে না পারলে বন্ধ হয়ে যাবে ধানের আবাদ। ফলে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষক রবিউল ও করিম উদ্দিন অভিযোগ করলেন, সেচযন্ত্র চালাতে প্রয়োজন হয় ডিজেলের। কিন্তু চাহিদা মোতাবেক পাম্প থেকে তেল দেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে বোরো আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। করিম বলছেন, আমরা আগে একবার জ্বালানি তেল দিয়ে অন্তত দশ দিন সেচ দিতে পারতাম।
আরও পড়ুন, হাওর বাঁচাতে দুর্যোগ ঠেকাতে নদী ও বিল খনন জরুরি কার্যকারি উদ্যোগ চায় হাওরবাসী
কিন্তু এখন সমস্ত কাজ-কাম ফেলে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়েও কোনো কোনো দিন জ্বালানি তেল পাচ্ছি না। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে সেচ দিতে না পারলে ধান গাছ শুকিয়ে যাবে, থোড় বের হবে না। ফলে পোকা মাকড়ের আক্রমণের আংশকা রয়েছে,’ দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। বলছেন, তা না হলে ফলন অর্ধেকে কমে আসবে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ জেলাতে ৯০ হাজার ২ শত ৮০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হচ্ছে।
আরও পড়ুন, বাজারে তেল সংকটের নেপথ্যে কারসাজি, পাবনায় ক্যাবের প্রতিবাদ
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, ‘তেলের ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকার কারণে সংকট থেকেই যাচ্ছে। তেলের সংকট দুর করতে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
বিষয় : ঝিনাইদহ জ্বালানি সংকট বোরো চাষিরা

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি সংকটে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ঝিনাইদহের বোরো কৃষকেরা। বর্তমানে বোরো মৌসুমের আদর্শ সময় চলছে। এ সময় সেচ দিতে না পারলে বন্ধ হয়ে যাবে ধানের আবাদ। ফলে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষক রবিউল ও করিম উদ্দিন অভিযোগ করলেন, সেচযন্ত্র চালাতে প্রয়োজন হয় ডিজেলের। কিন্তু চাহিদা মোতাবেক পাম্প থেকে তেল দেওয়া হচ্ছে না। যার কারণে বোরো আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। করিম বলছেন, আমরা আগে একবার জ্বালানি তেল দিয়ে অন্তত দশ দিন সেচ দিতে পারতাম।
আরও পড়ুন, হাওর বাঁচাতে দুর্যোগ ঠেকাতে নদী ও বিল খনন জরুরি কার্যকারি উদ্যোগ চায় হাওরবাসী
কিন্তু এখন সমস্ত কাজ-কাম ফেলে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়েও কোনো কোনো দিন জ্বালানি তেল পাচ্ছি না। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে সেচ দিতে না পারলে ধান গাছ শুকিয়ে যাবে, থোড় বের হবে না। ফলে পোকা মাকড়ের আক্রমণের আংশকা রয়েছে,’ দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন তারা। বলছেন, তা না হলে ফলন অর্ধেকে কমে আসবে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এ জেলাতে ৯০ হাজার ২ শত ৮০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হচ্ছে।
আরও পড়ুন, বাজারে তেল সংকটের নেপথ্যে কারসাজি, পাবনায় ক্যাবের প্রতিবাদ
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, ‘তেলের ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকার কারণে সংকট থেকেই যাচ্ছে। তেলের সংকট দুর করতে জ্বালানি তেল সরবরাহ বাড়াতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন