বাগেরহাটের মোরেল গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে গভীর রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখার অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দপ্তর খোলা রাখার এ ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ১০:৩০ মিনিটের দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, অফিস কক্ষে লাইট-ফ্যান চালু রাখা অবস্থায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মনিরুল ইসলাম কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং তিনি দীর্ঘদিন ধরে অফিস কক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করছেন এবং নিয়মিত সেখানে রাত যাপন করছেন।
আরও পড়ুন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল সাময়িক বন্ধ
এর আগে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে স্মারক নং ০৪.০০.০০০০.০০০.৫১২.১৮.০০১৩.২২.১০৯ (তারিখ: ৬ মার্চ ২০২৩, ২৩ চৈত্র ১৪৩২) জারি করে নির্দেশ দেয়, সন্ধ্যা ৭টার পর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া, সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান বিকেল ৪টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি অফিস গভীর রাত পর্যন্ত খোলা থাকা প্রশাসনিক বিধি-নিষেধের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেফতার
একই কর্মস্থলে ২২ বছর ধরে কর্মরত থাকার কারণে শিক্ষকদের নিয়ে অফিসটিকে একটি ক্লাব ঘরের পরিণত করছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে লিখিত জবাবদিহি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃহাবিবুল্লাহ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা আছে। সংশ্লিষ্ট অফিসকে লিখিতভাবে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। প্রাপ্ত ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেল গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে গভীর রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রাখার অভিযোগ সামনে এসেছে। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দপ্তর খোলা রাখার এ ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ১০:৩০ মিনিটের দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, অফিস কক্ষে লাইট-ফ্যান চালু রাখা অবস্থায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মনিরুল ইসলাম কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং তিনি দীর্ঘদিন ধরে অফিস কক্ষকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করছেন এবং নিয়মিত সেখানে রাত যাপন করছেন।
আরও পড়ুন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল সাময়িক বন্ধ
এর আগে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সম্প্রতি বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে স্মারক নং ০৪.০০.০০০০.০০০.৫১২.১৮.০০১৩.২২.১০৯ (তারিখ: ৬ মার্চ ২০২৩, ২৩ চৈত্র ১৪৩২) জারি করে নির্দেশ দেয়, সন্ধ্যা ৭টার পর শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া, সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান বিকেল ৪টার পর বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি অফিস গভীর রাত পর্যন্ত খোলা থাকা প্রশাসনিক বিধি-নিষেধের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেফতার
একই কর্মস্থলে ২২ বছর ধরে কর্মরত থাকার কারণে শিক্ষকদের নিয়ে অফিসটিকে একটি ক্লাব ঘরের পরিণত করছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত আছি। ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে লিখিত জবাবদিহি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃহাবিবুল্লাহ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা আছে। সংশ্লিষ্ট অফিসকে লিখিতভাবে জবাবদিহি করতে বলা হয়েছে। প্রাপ্ত ব্যাখ্যা পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন