রান্নার জন্য গ্যাসের সমস্যা এবং সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেকেই এখন ইলেকট্রিক চুলা, বিশেষ করে ইন্ডাকশন চুলার দিকে ঝুঁকছেন। তবে মাস শেষে বাড়িতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে কপালে ভাঁজ পড়ছে অনেকেরই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রান্নার কিছু সহজ পরিবর্তনের মাধ্যমে ইন্ডাকশন চুলার বিদ্যুতের খরচ অনেকটা কমানো সম্ভব।
প্রথমত, সঠিক বাসন ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডাকশন চুলা তড়িৎ-চৌম্বকীয় প্রযুক্তিতে কাজ করে, তাই রান্নার জন্য কাস্ট আয়রন বা ম্যাগনেটিক স্টেইনলেস স্টিলের বাসন ব্যবহার করতে হবে। অসমান বা আকাবাঁকা তলার বাসন এনার্জি ট্রান্সফারে বাধা সৃষ্টি করে।
আরও পড়ুন, নতুন বছরের নতুন সাজ: সারা লাইফস্টাইলের বৈশাখী কালেকশন
দ্বিতীয়ত, সব সময় হাই-পাওয়ারে রান্না করার প্রয়োজন নেই। পানি ফুটে গেলে বা কড়াই গরম হয়ে গেলে পাওয়ার কমিয়ে দিন। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না রাখলে বিদ্যুতের অপচয় কমানো যায়।
তৃতীয়ত, রান্নার সময় কড়াই ঢেকে রাখুন। এতে তাপ বাইরে বের হয় না এবং খাবার কম শক্তিতে দ্রুত সেদ্ধ হয়।
চতুর্থত, চাল, ডাল বা শস্য রান্নার অন্তত ৩০ মিনিট আগে ভিজিয়ে রাখুন। এতে রান্নার সময় কমে এবং বিদ্যুতের ব্যবহারও কম হয়।
আরও পড়ুন, পার্লার নয় ঘরের উপকরণেই লোম দূর করার উপায়
পঞ্চমত, ইন্ডাকশনের কাচের সারফেস সব সময় পরিষ্কার রাখুন। ময়লা বা পোড়া খাবার শক্তি স্থানান্তরে বাধা দেয়, ফলে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
শেষে, রান্না পুরোপুরি শেষ হওয়ার ২-৩ মিনিট আগে চুলার সুইচ বন্ধ করুন। অবশিষ্ট তাপ ব্যবহার করে খাবার শেষ হলে প্রতিদিন কিছুটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।
এই সহজ পরিবর্তনগুলো অনুসরণ করলে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহারের খরচ অনেক কমানো সম্ভব, পাশাপাশি রান্না আরও দ্রুত এবং কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
রান্নার জন্য গ্যাসের সমস্যা এবং সিলিন্ডারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেকেই এখন ইলেকট্রিক চুলা, বিশেষ করে ইন্ডাকশন চুলার দিকে ঝুঁকছেন। তবে মাস শেষে বাড়িতে আসা বিদ্যুৎ বিল দেখে কপালে ভাঁজ পড়ছে অনেকেরই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রান্নার কিছু সহজ পরিবর্তনের মাধ্যমে ইন্ডাকশন চুলার বিদ্যুতের খরচ অনেকটা কমানো সম্ভব।
প্রথমত, সঠিক বাসন ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। ইন্ডাকশন চুলা তড়িৎ-চৌম্বকীয় প্রযুক্তিতে কাজ করে, তাই রান্নার জন্য কাস্ট আয়রন বা ম্যাগনেটিক স্টেইনলেস স্টিলের বাসন ব্যবহার করতে হবে। অসমান বা আকাবাঁকা তলার বাসন এনার্জি ট্রান্সফারে বাধা সৃষ্টি করে।
আরও পড়ুন, নতুন বছরের নতুন সাজ: সারা লাইফস্টাইলের বৈশাখী কালেকশন
দ্বিতীয়ত, সব সময় হাই-পাওয়ারে রান্না করার প্রয়োজন নেই। পানি ফুটে গেলে বা কড়াই গরম হয়ে গেলে পাওয়ার কমিয়ে দিন। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না রাখলে বিদ্যুতের অপচয় কমানো যায়।
তৃতীয়ত, রান্নার সময় কড়াই ঢেকে রাখুন। এতে তাপ বাইরে বের হয় না এবং খাবার কম শক্তিতে দ্রুত সেদ্ধ হয়।
চতুর্থত, চাল, ডাল বা শস্য রান্নার অন্তত ৩০ মিনিট আগে ভিজিয়ে রাখুন। এতে রান্নার সময় কমে এবং বিদ্যুতের ব্যবহারও কম হয়।
আরও পড়ুন, পার্লার নয় ঘরের উপকরণেই লোম দূর করার উপায়
পঞ্চমত, ইন্ডাকশনের কাচের সারফেস সব সময় পরিষ্কার রাখুন। ময়লা বা পোড়া খাবার শক্তি স্থানান্তরে বাধা দেয়, ফলে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
শেষে, রান্না পুরোপুরি শেষ হওয়ার ২-৩ মিনিট আগে চুলার সুইচ বন্ধ করুন। অবশিষ্ট তাপ ব্যবহার করে খাবার শেষ হলে প্রতিদিন কিছুটা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।
এই সহজ পরিবর্তনগুলো অনুসরণ করলে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহারের খরচ অনেক কমানো সম্ভব, পাশাপাশি রান্না আরও দ্রুত এবং কার্যকর হবে।

আপনার মতামত লিখুন