ঈদের আনন্দ শেষ হলেও রাজধানীর বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চাপে পড়েছে।মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ও রায়েরবাজার এলাকায় শুক্রবার সকালে যাত্রা করে দেখা যায়, মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০, রুই ২৪০ থেকে ৩,৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০–৩০০, দেশি টেংরা ৬০০, চিংড়ি ৫৫০–৯০০, শোল ৭০০ এবং কই-শিং ৪০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
আরো পড়ুন , জলাবদ্ধতা ও ফসল সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আহ্বান শিশির মনিরের
মাংসের বাজারেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে দাম দেখা যাচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯৫ টাকা, আর সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকার কাছাকাছি।বাজারে কথা বলা ক্রেতারা জানান, ঈদের পর দাম কিছুটা কমলেও এখনো স্বস্তির নয়। বিশেষ করে সোনালি মুরগি এখন বিলাসী পণ্যের পর্যায়ে পরিণত হয়েছে। এক ক্রেতা বলেন, “ঈদের আগে দাম বাড়ছিল, আশা ছিল পরে কমবে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।”
বিষয় : পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া মুরগির দাম

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ঈদের আনন্দ শেষ হলেও রাজধানীর বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো চাপে পড়েছে।মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ও রায়েরবাজার এলাকায় শুক্রবার সকালে যাত্রা করে দেখা যায়, মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০, রুই ২৪০ থেকে ৩,৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০–৩০০, দেশি টেংরা ৬০০, চিংড়ি ৫৫০–৯০০, শোল ৭০০ এবং কই-শিং ৪০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
আরো পড়ুন , জলাবদ্ধতা ও ফসল সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের আহ্বান শিশির মনিরের
মাংসের বাজারেও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে দাম দেখা যাচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯৫ টাকা, আর সোনালি মুরগি ৩৪০ টাকার কাছাকাছি।বাজারে কথা বলা ক্রেতারা জানান, ঈদের পর দাম কিছুটা কমলেও এখনো স্বস্তির নয়। বিশেষ করে সোনালি মুরগি এখন বিলাসী পণ্যের পর্যায়ে পরিণত হয়েছে। এক ক্রেতা বলেন, “ঈদের আগে দাম বাড়ছিল, আশা ছিল পরে কমবে, কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।”

আপনার মতামত লিখুন