দেশে জ্বালানি তেলের মজুত প্রয়োজন অনুযায়ী রয়েছে এবং আগামী এপ্রিল মাসেও পর্যাপ্ত আমদানি করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তেলের দাম সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় ভর্তুকি পর্যালোচনা চলছে। এছাড়া, রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাওয়ার অপেক্ষা করছে সরকার।
আরো পড়ুন , গুলশানের হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন
সোমবার রাজধানীর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মুনির হোসেন জানান, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলসহ তেল বিপণনকারী সংস্থা গত সপ্তাহে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। বিপিসি তা মূল্যায়ন করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। সরকার চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে।
বিশ্বজুড়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির কার্যত বন্ধ হওয়ায় আন্তর্জাতিক সরবরাহে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মুনির হোসেন জানান, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৬৩ শতাংশই ডিজেল, এবং বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল উদ্বৃত্ত রয়েছে। মার্চ মাসে সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী বজায় রাখা হয়েছে, ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু ক্ষেত্রে সরবরাহ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
আরো পড়ুন , আজ রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও ৪২ জেলা প্রশাসকের প্রথম বৈঠক
সরকারি হিসাবে, ১৯ মার্চ পর্যন্ত ডিজেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় প্রায় ৮০০ মেট্রিক টন বেশি, অকটেনের ক্ষেত্রে ২২৫ মেট্রিক টন বেশি, পেট্রোলের ক্ষেত্রে ২৯ মেট্রিক টন কম। তেলের ঘাটতি দেখানো অভিযোগের পেছনে গ্রাহকদের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রভাব রয়েছে।তবে রাজধানীর কিছু ফিলিং স্টেশনে আগের তুলনায় সরবরাহ কমে গেছে। আগে যেখানে দিনে ৯–১০ হাজার লিটার তেল দেওয়া হতো, এখন অনেক পাম্পে তা ৪–৫ হাজার লিটারে নেমেছে। সরকার এটি ‘চাহিদা সমন্বয়’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।
বিষয় : আমদানি জ্বালানি তেল প্রয়োজনীয়

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের মজুত প্রয়োজন অনুযায়ী রয়েছে এবং আগামী এপ্রিল মাসেও পর্যাপ্ত আমদানি করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুত্, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তেলের দাম সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় ভর্তুকি পর্যালোচনা চলছে। এছাড়া, রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় পাওয়ার অপেক্ষা করছে সরকার।
আরো পড়ুন , গুলশানের হত্যা মামলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ফাহিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন
সোমবার রাজধানীর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মুনির হোসেন জানান, পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েলসহ তেল বিপণনকারী সংস্থা গত সপ্তাহে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। বিপিসি তা মূল্যায়ন করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। সরকার চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারে।
বিশ্বজুড়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির কার্যত বন্ধ হওয়ায় আন্তর্জাতিক সরবরাহে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মুনির হোসেন জানান, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার ৬৩ শতাংশই ডিজেল, এবং বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল উদ্বৃত্ত রয়েছে। মার্চ মাসে সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী বজায় রাখা হয়েছে, ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু ক্ষেত্রে সরবরাহ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
আরো পড়ুন , আজ রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও ৪২ জেলা প্রশাসকের প্রথম বৈঠক
সরকারি হিসাবে, ১৯ মার্চ পর্যন্ত ডিজেলের সরবরাহ চাহিদার তুলনায় প্রায় ৮০০ মেট্রিক টন বেশি, অকটেনের ক্ষেত্রে ২২৫ মেট্রিক টন বেশি, পেট্রোলের ক্ষেত্রে ২৯ মেট্রিক টন কম। তেলের ঘাটতি দেখানো অভিযোগের পেছনে গ্রাহকদের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রভাব রয়েছে।তবে রাজধানীর কিছু ফিলিং স্টেশনে আগের তুলনায় সরবরাহ কমে গেছে। আগে যেখানে দিনে ৯–১০ হাজার লিটার তেল দেওয়া হতো, এখন অনেক পাম্পে তা ৪–৫ হাজার লিটারে নেমেছে। সরকার এটি ‘চাহিদা সমন্বয়’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।

আপনার মতামত লিখুন