পাবনায় জ্বালানি তেলের সংকট ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। সীমিত সরবরাহের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল ধরে তেল নিতে হচ্ছে। তবে এই সংকটের মাঝেই গড়ে উঠেছে একটি অসাধু চক্র, যারা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে অবৈধভাবে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রি করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাম্পগুলোতে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও কিছু খুচরা বিক্রেতাকে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। এসব খুচরা বিক্রেতার অধিকাংশই লাইসেন্সবিহীন মুদিখানা দোকানি, যারা “খুচরা বিক্রেতা” পরিচয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে সহজেই পেট্রোল সংগ্রহ করছে। পরবর্তীতে তারা এই পেট্রোল সাধারণ মানুষের কাছে প্রতি লিটার ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করছে, যেখানে সরকারি নির্ধারিত মূল্য এর চেয়ে অনেক কম। এতে প্রতি লিটারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত লাভ করছে এই সিন্ডিকেট চক্র।
এদিকে সাধারণ মোটরসাইকেল চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে এই অবৈধ খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে তেল কিনছেন। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে ভোগান্তি, অন্যদিকে তেমনি তৈরি হচ্ছে একটি অস্বচ্ছ ও অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থা। সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনের নজরদারির অভাব এবং পাম্প মালিকদের একাংশের অসাধু যোগসাজশের কারণেই এই সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং অবৈধ খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বিষয় : সংকটাপন্ন সংকট পাবনা পেট্রোল পাম্প

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
পাবনায় জ্বালানি তেলের সংকট ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। সীমিত সরবরাহের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল ধরে তেল নিতে হচ্ছে। তবে এই সংকটের মাঝেই গড়ে উঠেছে একটি অসাধু চক্র, যারা পরিস্থিতিকে পুঁজি করে অবৈধভাবে অতিরিক্ত দামে পেট্রোল বিক্রি করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাম্পগুলোতে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হলেও কিছু খুচরা বিক্রেতাকে তুলনামূলক বেশি পরিমাণে পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। এসব খুচরা বিক্রেতার অধিকাংশই লাইসেন্সবিহীন মুদিখানা দোকানি, যারা “খুচরা বিক্রেতা” পরিচয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে সহজেই পেট্রোল সংগ্রহ করছে। পরবর্তীতে তারা এই পেট্রোল সাধারণ মানুষের কাছে প্রতি লিটার ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করছে, যেখানে সরকারি নির্ধারিত মূল্য এর চেয়ে অনেক কম। এতে প্রতি লিটারে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত লাভ করছে এই সিন্ডিকেট চক্র।
এদিকে সাধারণ মোটরসাইকেল চালকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি দামে এই অবৈধ খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে তেল কিনছেন। ফলে একদিকে যেমন বাড়ছে ভোগান্তি, অন্যদিকে তেমনি তৈরি হচ্ছে একটি অস্বচ্ছ ও অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থা। সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনের নজরদারির অভাব এবং পাম্প মালিকদের একাংশের অসাধু যোগসাজশের কারণেই এই সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং অবৈধ খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

আপনার মতামত লিখুন