রোববার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এবারের বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।প্রতিবছরের মতো এবারও নববর্ষকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিদের বাণী প্রকাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বর্ষবরণ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারে নববর্ষ উদ্যাপন সম্প্রচার, জেলা–উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখী র্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদ্যাপন হবে। শিশু একাডেমি শিশুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করবে।
বিসিক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্যোগে বৈশাখী মেলা, কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে বিশেষ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এছাড়া আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, রচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মসূচি জেলা–উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।
বিষয় : নববর্ষ শোভাযাত্রা সংস্কৃতিমন্ত্রী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
রোববার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এবারের বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।প্রতিবছরের মতো এবারও নববর্ষকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিদের বাণী প্রকাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বর্ষবরণ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারে নববর্ষ উদ্যাপন সম্প্রচার, জেলা–উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখী র্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ উদ্যাপন হবে। শিশু একাডেমি শিশুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আয়োজন করবে।
বিসিক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্যোগে বৈশাখী মেলা, কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে বিশেষ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এছাড়া আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, রচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মসূচি জেলা–উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন