পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার নান্দুহার বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা। আজ রাত ৭ঃ২০ মিনিট প্রবেশ করেন নাম দুহার বাজারে ১ থেকে দেড় ঘন্টা এবং ভাঙচুর করে চলে যান ,অভিযোগ উঠেছে, বহিরাগত ১০০ থেকে ২০০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আকস্মিকভাবে বাজারে প্রবেশ করে বিভিন্ন দোকানপাটে হামলা চালায়, ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি সামান্য বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা থেকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বহিরাগতরা দলবদ্ধ হয়ে বাজারে ঢুকে মুদির দোকান, সেলুন এবং ঔষধের ফার্মেসিসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে কবিতা চত্বরে ডেকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
হামলাকারীরা দোকানের শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মালামাল তছনছ করে এবং মূল্যবান পণ্য লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী বাধা দিলে তাদের ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পর পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, ঈদের পঞ্চম দিনেও রংপুরে বিনোদন কেন্দ্রে জনস্রোত, উৎসবে মুখর নগরী
এদিকে, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার পরও বাজার কমিটি ও সেক্রেটারির কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা অভিযোগ করেন, দায়িত্বশীলদের উদাসীনতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ চোখে পড়েনি।একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করি। কিন্তু এই ধরনের হামলার পরও যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আমাদের এখানে ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। তারা দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।নান্দুহার বাজারে এ ধরনের সহিংসতা শুধু ব্যবসায়ীদের নয়, পুরো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার নান্দুহার বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা। আজ রাত ৭ঃ২০ মিনিট প্রবেশ করেন নাম দুহার বাজারে ১ থেকে দেড় ঘন্টা এবং ভাঙচুর করে চলে যান ,অভিযোগ উঠেছে, বহিরাগত ১০০ থেকে ২০০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল আকস্মিকভাবে বাজারে প্রবেশ করে বিভিন্ন দোকানপাটে হামলা চালায়, ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় একটি সামান্য বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা থেকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বহিরাগতরা দলবদ্ধ হয়ে বাজারে ঢুকে মুদির দোকান, সেলুন এবং ঔষধের ফার্মেসিসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।
আরও পড়ুন, কক্সবাজারে কবিতা চত্বরে ডেকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
হামলাকারীরা দোকানের শাটার ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মালামাল তছনছ করে এবং মূল্যবান পণ্য লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় কয়েকজন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী বাধা দিলে তাদের ওপর নির্মম হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।ঘটনার পর পুরো বাজার এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন, ঈদের পঞ্চম দিনেও রংপুরে বিনোদন কেন্দ্রে জনস্রোত, উৎসবে মুখর নগরী
এদিকে, এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার পরও বাজার কমিটি ও সেক্রেটারির কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা অভিযোগ করেন, দায়িত্বশীলদের উদাসীনতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্ত বা নিরাপত্তা জোরদারের উদ্যোগ চোখে পড়েনি।একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করি। কিন্তু এই ধরনের হামলার পরও যদি কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে আমাদের এখানে ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। তারা দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।নান্দুহার বাজারে এ ধরনের সহিংসতা শুধু ব্যবসায়ীদের নয়, পুরো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

আপনার মতামত লিখুন