রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় টানা পাঁচ দিন ধরে পেট্রল ও অকটেন সংকটে সবকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এতে পেট্রল ও অকটেনচালিত যানবাহনের চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ঈদুল ফিতর পার হলেও সংকট না কাটায় ক্ষোভ বাড়ছে ভুক্তভোগীদের মধ্যে। জানা গেছে, উপজেলার চারটি ফিলিং স্টেশনেই পেট্রল ও অকটেনের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় পাম্পগুলো তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ পেট্রলচালিত যানবাহনের চালকেরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে দূরের উপজেলায় গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে সাবেকমন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
এদিকে, সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বোতলজাত পেট্রল উচ্চ দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতি লিটার পেট্রল ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এতে করে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ। ভুক্তভোগী চালকদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে একটি চক্র সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে পাম্পে তেল সংকট, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা
ফিলিং স্টেশনের মালিকরা জানান, গত পাঁচ দিন পর ডিপো থেকে জ্বালানি সরবরাহ এলেও শুধু ডিজেল দেওয়া হয়েছে। পেট্রল ও অকটেন না থাকায় গ্রাহকদের চাপ ও প্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত পেট্রল ও অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে জনদুর্ভোগ লাঘব হয়।
বিষয় : রংপুর গঙ্গাচড়া ফিলিং স্টেশন

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় টানা পাঁচ দিন ধরে পেট্রল ও অকটেন সংকটে সবকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে। এতে পেট্রল ও অকটেনচালিত যানবাহনের চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ঈদুল ফিতর পার হলেও সংকট না কাটায় ক্ষোভ বাড়ছে ভুক্তভোগীদের মধ্যে। জানা গেছে, উপজেলার চারটি ফিলিং স্টেশনেই পেট্রল ও অকটেনের সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকায় পাম্পগুলো তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ফলে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ পেট্রলচালিত যানবাহনের চালকেরা বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই বাধ্য হয়ে দূরের উপজেলায় গিয়ে জ্বালানি সংগ্রহ করছেন।
আরও পড়ুন, ফরিদপুরে সাবেকমন্ত্রী কে এম ওবায়দুর রহমানের ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
এদিকে, সংকটের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বোতলজাত পেট্রল উচ্চ দামে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতি লিটার পেট্রল ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এতে করে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ক্ষোভ ও উদ্বেগ। ভুক্তভোগী চালকদের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে একটি চক্র সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে পাম্পে তেল সংকট, খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রশাসনের নীরব ভূমিকা
ফিলিং স্টেশনের মালিকরা জানান, গত পাঁচ দিন পর ডিপো থেকে জ্বালানি সরবরাহ এলেও শুধু ডিজেল দেওয়া হয়েছে। পেট্রল ও অকটেন না থাকায় গ্রাহকদের চাপ ও প্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পাম্পগুলো বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দ্রুত পেট্রল ও অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং অবৈধভাবে বেশি দামে বিক্রি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক, যাতে জনদুর্ভোগ লাঘব হয়।

আপনার মতামত লিখুন