দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে গঙ্গাচড়ায় ১২০ পরিবারের ঈদ উদযাপন

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে গঙ্গাচড়ায় ১২০ পরিবারের ঈদ উদযাপন
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে গঙ্গাচড়ায় ১২০ পরিবারের ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার একটি গ্রামে ১২০টি পরিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া জামে মসজিদে এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল বাতেন। এতে স্থানীয় মুসল্লিসহ আশপাশের গ্রাম ও শহর থেকে আগত প্রায় ১৫০ জন মুসল্লি অংশ নেন। স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৪ সালে বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুর রশীদ বাদশা প্রথম সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন। শুরুতে ২০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে তা বিস্তৃত হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিজেই ইমামতি করতেন।

আরও পড়ুন, বিশ্বব্যাপী একই দিনে ঈদের আহ্বান, শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফে ঈদুল ফিতরের জামায়াত

২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে মাওলানা আব্দুল বাতেন এই প্রথা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে তার নেতৃত্বে ১২০টি পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে। ঈদের নামাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মোছাদ্দেক আলী ও রহিদুল ইসলাম জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই জামাতে অংশ নিচ্ছেন। তাদের মতে, গঙ্গাচড়ার এই গ্রামটিই এলাকায় একমাত্র স্থান, যেখানে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করা হয়।

আরও পড়ুন, জাবেদ রেজার পক্ষ থেকে লামায় ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, নেতৃত্বে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঈদের নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বিষয় : সৌদি রংপুর গঙ্গাচড়া জামাত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


সৌদির সঙ্গে মিল রেখে গঙ্গাচড়ায় ১২০ পরিবারের ঈদ উদযাপন

প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬

featured Image

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার একটি গ্রামে ১২০টি পরিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া জামে মসজিদে এ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল বাতেন। এতে স্থানীয় মুসল্লিসহ আশপাশের গ্রাম ও শহর থেকে আগত প্রায় ১৫০ জন মুসল্লি অংশ নেন। স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৪ সালে বাগপুর পূর্ব মৌলভীপাড়া গ্রামের মাওলানা আব্দুর রশীদ বাদশা প্রথম সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন। শুরুতে ২০ থেকে ৪০ জন মুসল্লি নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হলেও সময়ের সঙ্গে তা বিস্তৃত হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি নিজেই ইমামতি করতেন।

আরও পড়ুন, বিশ্বব্যাপী একই দিনে ঈদের আহ্বান, শাহ্সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফে ঈদুল ফিতরের জামায়াত

২০২২ সালে তার মৃত্যুর পর তার বড় ছেলে মাওলানা আব্দুল বাতেন এই প্রথা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে তার নেতৃত্বে ১২০টি পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে। ঈদের নামাজে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা মোছাদ্দেক আলী ও রহিদুল ইসলাম জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা এই জামাতে অংশ নিচ্ছেন। তাদের মতে, গঙ্গাচড়ার এই গ্রামটিই এলাকায় একমাত্র স্থান, যেখানে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করা হয়।

আরও পড়ুন, জাবেদ রেজার পক্ষ থেকে লামায় ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ, নেতৃত্বে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঈদের নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত