চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা-এ ফসলি জমির উর্বর উপরিভাগ (টপসয়েল) কেটে পাচারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি এসকেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) জব্দ করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন-এর মুরাদাবাদ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা ব্যবহৃত এসকেভেটর ফেলে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নেতৃত্ব দেন চন্দনাইশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা। তাকে সহযোগিতা করেন চন্দনাইশ থানার এসআই মোহাম্মদ শরিফ ও তার পুলিশ দল। এছাড়া ভূমি অফিসের সহকারী মোহাম্মদ জিহান ও মোহাম্মদ সামির অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি ‘মাটি খেকো’ চক্র দীর্ঘদিন ধরে মুরাদাবাদ এলাকার ফসলি জমি থেকে টপসয়েল কেটে ট্রাকে করে পাচার করছে। এতে এলাকার পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব পাশের জমি থেকে ১০-১৫টি ডাম্পার ট্রাকে করে মাটি সরানো হয়। প্রভাবশালী চক্রের হুমকির কারণে কেউ সরাসরি প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। তাদের দাবি, নির্বিচারে মাটি কাটার ফলে কৃষিজমি ধীরে ধীরে গভীর গর্তে পরিণত হচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বর্ষায় বড় দুর্যোগের আশঙ্কা
এভাবে চলতে থাকলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পুরো এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়া, বসতবাড়ি ধসে পড়া এবং গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। তারা এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের স্থায়ী ও কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
প্রশাসনের অবস্থান
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা-এ ফসলি জমির উর্বর উপরিভাগ (টপসয়েল) কেটে পাচারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে একটি এসকেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) জব্দ করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়ন-এর মুরাদাবাদ এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা ব্যবহৃত এসকেভেটর ফেলে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নেতৃত্ব দেন চন্দনাইশ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঝন্টু বিকাশ চাকমা। তাকে সহযোগিতা করেন চন্দনাইশ থানার এসআই মোহাম্মদ শরিফ ও তার পুলিশ দল। এছাড়া ভূমি অফিসের সহকারী মোহাম্মদ জিহান ও মোহাম্মদ সামির অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি ‘মাটি খেকো’ চক্র দীর্ঘদিন ধরে মুরাদাবাদ এলাকার ফসলি জমি থেকে টপসয়েল কেটে ট্রাকে করে পাচার করছে। এতে এলাকার পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব পাশের জমি থেকে ১০-১৫টি ডাম্পার ট্রাকে করে মাটি সরানো হয়। প্রভাবশালী চক্রের হুমকির কারণে কেউ সরাসরি প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। তাদের দাবি, নির্বিচারে মাটি কাটার ফলে কৃষিজমি ধীরে ধীরে গভীর গর্তে পরিণত হচ্ছে। কোনো কোনো স্থানে ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
বর্ষায় বড় দুর্যোগের আশঙ্কা
এভাবে চলতে থাকলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পুরো এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়া, বসতবাড়ি ধসে পড়া এবং গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা। তারা এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের স্থায়ী ও কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
আরও পড়ুন, গংগাচড়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
প্রশাসনের অবস্থান
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধভাবে টপসয়েল কাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন