চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা ২০ মিনিটে সিসিএস দপ্তরের পি-টু শাখায় এ আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাহাড়তলী এলাকার সিসিএস দপ্তরে আগুন লাগার খবর পায় চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ। খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের মাঝ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের ইনচার্জ খলিলুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্তের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন, সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন
অন্যদিকে, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সবুক্তগীন বলেন, “যে কক্ষে আগুন লেগেছে সেখানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো নথিপত্র ছিল না। সংস্কার কাজ চলায় প্রয়োজনীয় ও জরুরি কাগজপত্র আগেই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে। উল্লেখ্য যে, পাহাড়তলীর সিসিএস দপ্তর থেকে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয়, সরবরাহ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরে আগুন লাগার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই এখন সবার নজর।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা ২০ মিনিটে সিসিএস দপ্তরের পি-টু শাখায় এ আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাহাড়তলী এলাকার সিসিএস দপ্তরে আগুন লাগার খবর পায় চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ। খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ২০ মিনিটের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের মাঝ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের ইনচার্জ খলিলুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে তদন্তের আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুন, সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন
অন্যদিকে, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সবুক্তগীন বলেন, “যে কক্ষে আগুন লেগেছে সেখানে তেমন গুরুত্বপূর্ণ কোনো নথিপত্র ছিল না। সংস্কার কাজ চলায় প্রয়োজনীয় ও জরুরি কাগজপত্র আগেই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি পরিষ্কার হবে। উল্লেখ্য যে, পাহাড়তলীর সিসিএস দপ্তর থেকে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন সরঞ্জাম ক্রয়, সরবরাহ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরে আগুন লাগার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের দিকেই এখন সবার নজর।

আপনার মতামত লিখুন