দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

লামায় অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

লামায় অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
লামা উপজেলায় সরকারি অনুমতি ছাড়াই বিদ্যুৎ অফিসের ভেতরে ভবন নির্মাণের জন্য গাছ কাটার অভিযোগ

বান্দরবানের লামা উপজেলায় সরকারি অনুমতি ছাড়াই বিদ্যুৎ অফিসের ভেতরে ভবন নির্মাণের জন্য গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লামা বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী গৌতম চৌধুরী ও লাইনম্যান শেখ নাছির উদ্দিন সরকারি বিধি-বিধান না মেনে অফিস চত্বরে গাছ কাটার মাধ্যমে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এ ছাড়া গ্রাহকদের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া মিটার পরিবর্তন, অতিরিক্ত বিল চাপিয়ে দেওয়া এবং জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার মতো অনিয়মের ঘটনাও ঘটছে।

আরো পড়ুন , রাজশাহীর বাঘায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ জনের

তবে অভিযোগের বিষয়ে আবাসিক প্রকৌশলী গৌতম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কবির উদ্দিন বলেন, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি প্রয়োজন। অনুমতি সাপেক্ষে গাছ কাটার ক্ষেত্রে বন বিভাগ গাছের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।চট্টগ্রাম জনসংযোগ বিভাগের প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বন আইন, ১৯২৭ ও প্রচলিত সরকারি বিধি অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিষয় : তদন্ত ভবন নির্মাণে বিদ্যুৎ বিভাগ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


লামায় অনুমতি ছাড়া গাছ কেটে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

বান্দরবানের লামা উপজেলায় সরকারি অনুমতি ছাড়াই বিদ্যুৎ অফিসের ভেতরে ভবন নির্মাণের জন্য গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যুৎ বিভাগের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লামা বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী গৌতম চৌধুরী ও লাইনম্যান শেখ নাছির উদ্দিন সরকারি বিধি-বিধান না মেনে অফিস চত্বরে গাছ কাটার মাধ্যমে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এ ছাড়া গ্রাহকদের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়া মিটার পরিবর্তন, অতিরিক্ত বিল চাপিয়ে দেওয়া এবং জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার মতো অনিয়মের ঘটনাও ঘটছে।



আরো পড়ুন , রাজশাহীর বাঘায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ জনের



তবে অভিযোগের বিষয়ে আবাসিক প্রকৌশলী গৌতম চৌধুরীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।লামা বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কবির উদ্দিন বলেন, সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি প্রয়োজন। অনুমতি সাপেক্ষে গাছ কাটার ক্ষেত্রে বন বিভাগ গাছের মূল্য নির্ধারণ করে থাকে।চট্টগ্রাম জনসংযোগ বিভাগের প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হলে বন আইন, ১৯২৭ ও প্রচলিত সরকারি বিধি অনুযায়ী দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত