দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

পিরোজপুরয়ে অদ্ভুত এক গরুর জন্ম এলাকায় আলোচনা

পিরোজপুরয়ে অদ্ভুত এক গরুর জন্ম  এলাকায় আলোচনা

পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়ারকাঠী এলাকায় একটি বিরল আকৃতির গরুর বাছুরের জন্ম হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার রাজবাড়ি এলাকায় ঝন্টু দাস ও নবিতা রানী দাস দম্পতির গাভিটি তিন চোখ ও দুই মুখবিশিষ্ট একটি বাছুর প্রসব করে।ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৌতূহলী মানুষজন বাছুরটিকে একনজর দেখতে ভিড় করেন।মালিক নবিতা রানী দাস জানান, পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে তারা গাভিটি লালন-পালন করছেন।এর আগে গাভিটি একটি সুস্থ বাছুরের জন্ম দিয়েছিল। তবে এবার জন্ম নেওয়া বাছুরটির শারীরিক গঠনে ব্যতিক্রম দেখা যায়।



আরো পড়ুন , সীতাকুণ্ডে ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার


 জন্মের পর থেকেই বাছুরটি জীবিত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ আছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে ডা. তরুণ কুমার শিকদার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বলেন, অনেক সময় অসচেতনভাবে গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ প্রয়োগের কারণে এমন বিকলাঙ্গ বাছুরের জন্ম হতে পারে।তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ধরনের বাছুর অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে। সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিষয় : জন্মবার্ষিকী অদ্ভুত গরু কৌতূহলী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


পিরোজপুরয়ে অদ্ভুত এক গরুর জন্ম এলাকায় আলোচনা

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬

featured Image

পিরোজপুর সদর উপজেলার রায়ারকাঠী এলাকায় একটি বিরল আকৃতির গরুর বাছুরের জন্ম হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার রাজবাড়ি এলাকায় ঝন্টু দাস ও নবিতা রানী দাস দম্পতির গাভিটি তিন চোখ ও দুই মুখবিশিষ্ট একটি বাছুর প্রসব করে।ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৌতূহলী মানুষজন বাছুরটিকে একনজর দেখতে ভিড় করেন।মালিক নবিতা রানী দাস জানান, পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে তারা গাভিটি লালন-পালন করছেন।এর আগে গাভিটি একটি সুস্থ বাছুরের জন্ম দিয়েছিল। তবে এবার জন্ম নেওয়া বাছুরটির শারীরিক গঠনে ব্যতিক্রম দেখা যায়।



আরো পড়ুন , সীতাকুণ্ডে ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার


 জন্মের পর থেকেই বাছুরটি জীবিত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত সুস্থ আছে বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে ডা. তরুণ কুমার শিকদার, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বলেন, অনেক সময় অসচেতনভাবে গ্রাম্য চিকিৎসকের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ প্রয়োগের কারণে এমন বিকলাঙ্গ বাছুরের জন্ম হতে পারে।তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ধরনের বাছুর অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে। সঠিক পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত