দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

পুরোনো ঘটনা, নতুন বিতর্ক: আপেল মাহমুদকে ঘিরে অপপ্রচার !

পুরোনো ঘটনা, নতুন বিতর্ক: আপেল মাহমুদকে ঘিরে অপপ্রচার !
আপেল মাহমুদ
  • পর্যটন নিরাপত্তা জোরদারে আপেল মাহমুদের সক্রিয় ভূমিকার উল্লেখ।
  • একটি মহলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া থেকে অপপ্রচারের অভিযোগ।
  • মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত।
  • হোটেলে দেহ ব্যবসা করতে গিয়ে টিকটকার লায়লা গ্রেপ্তার হয়েছিল।
  • সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা প্রশ্নের মুখে।
  • উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।


কক্সবাজার শুধু দেশের নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিবছর দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে এই সৈকত। পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাই এ অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তবে দৈনিক সকালের কক্সবাজার” পত্রিকায় প্রকাশিত “পর্যটক সেবার সরঞ্জাম ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য” শীর্ষক সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশকে হয়রানী করার চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অবৈধ দখল, চাঁদাবাজি ও অনিয়ন্ত্রিত দোকান স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে টুরিস্ট পুলিশের চলমান উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে টুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে অবকাঠামো ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়। তবে এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন।

আরো পড়ুন: ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ও প্রতিবাদ

টুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পর্যটন নিরাপত্তা জোরদার, বিচ এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বিশেষ করে বিচের নির্দিষ্ট পয়েন্টে গড়ে ওঠা অনুমতিহীন দোকান, স্থাপনা ও অস্থায়ী কাঠামোর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সাম্প্রতিক এক অভিযানে সৈকতের বিভিন্ন অংশে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। টুরিস্ট পুলিশ দাবি করে, এসব ব্যক্তির মধ্যে কেউ কেউ বিচ দখল সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে হিরু নামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এসবের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তিনি কক্সবাজার যুগান্তরের প্রতিনিধি। তার সিন্ডকেটের দখলে এসব কার্যক্রম চলছে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক কথিত একটি দখল ও মাসোহারা সিন্ডিকেটে যুগান্তরের প্রতিনিধি জসিম নামের এক সাংবাদিকের নাম জড়িয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৈকতের কিছু অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা ঘিরে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযুক্ত হিসেবে তার নাম এসেছে, তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একটি মাধ্যমে তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দৈনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকা গোনার সময় নেই।

আরো পড়ুন: পুলিশ হত্যা ও থানা পোড়ানো: কবে হবে বিচার?

এদিকে দৈনিক সকালের কক্সবাজারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হলে তা ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়। টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট দলিল, তথ্যপ্রমাণ বা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হলেও তা অনুসরণ করা হয়নি বলে দাবি করা হয়।

রিজিয়ন প্রধানের ভাষ্য, চলমান উচ্ছেদ অভিযানে একটি প্রভাবশালী চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জ করছি প্রমাণ থাকলে প্রকাশ করুন, আমরা তদন্তে সহযোগিতা করব।

সৈকতসংলগ্ন কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিচের বিভিন্ন অংশে অবৈধ দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, “অবৈধ দোকান ও চাঁদাবাজির কারণে পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছিল। এতে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।


ভিডিও বার্তা: https://www.facebook.com/share/v/1BxU49L3es/

কক্সবাজারের বিখ্যাত সৈকত এলাকায় কিছু কথিত সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অবৈধ দখল তৈরি হওয়ায় পর্যটকের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশ ইতিমধ্যেই বিষয়টি নজরে নিয়ে অভিযান শুরু করলে চলে আসে কথিত সাংবাদিকদের তদবির। উভয় সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপদ অবকাশ নিশ্চিত করা এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণে তারা কঠোর অবস্থানে আছেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অবৈধ দোকান, হোটেল ও চায়ের দখল নিয়ে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে অভিযান চালানো হবে। ট্যুরিস্ট পুলিশ স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে আইন মেনে দখলমুক্ত এলাকাগুলো উদ্ধার করবে। পর্যটকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সৈকতগুলো পুনরায় সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে পরিণত হবে। আইনগত জটিলতা এড়াতে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, সমস্ত অভিযান সংবিধান ও স্থানীয় আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা, যানবাহন ও আবাসিক সুবিধার ক্ষেত্রে কোনও বাধা সৃষ্টি হবে না। আগামী কয়েক সপ্তাহে অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও পর্যটক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সমন্বিতভাবে চলমান অভিযান কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটকবান্ধব একটি নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “সৈকত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। কিন্তু কিছু লোক প্রভাব খাটিয়ে জায়গা দখল করেছিল। টুরিস্ট পুলিশের অভিযান শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে কয়েকজনের মতে, অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া জরুরি। তারা বলেন, প্রশাসনের কার্যক্রম যেমন স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন, তেমনি সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতা থাকতে হবে।

আরো পড়ুন: পর্যটন নিরাপত্তায় শীর্ষ পর্যায়ের নজর

পর্যটননগরী কক্সবাজারে দায়িত্ব পালনকারী ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহল, প্রশাসনিক সূত্র ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। টিকটকার লায়লার আনা অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্নও উঠেছে। 

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে যে অভিযোগ এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করেছে, অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে চলমান শৃঙ্খলা রক্ষার কঠোর অবস্থানের কারণে একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে এমন অভিযোগ সামনে আনতে পারে। তবে এই দাবি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরো পড়ুন: দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন আইজিপি

আইন বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, মানহানি সংক্রান্ত বিধান এবং সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি প্রযোজ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা আইনগতভাবে সঠিক নয়। এ বিষয়ে লায়লার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 



বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো অভিযোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসনিক তদন্ত একটি প্রক্রিয়াধীন বিষয়। এতে সময় লাগে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ জরুরি। পর্যটননগরী কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ সবারই কাম্য। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একদিকে অভিযোগের ন্যায্যতা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে প্রশাসনের মর্যাদা ও নিরপেক্ষতা রক্ষার কথাও জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। এখন তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি মহল দাবি করছে, ২০২৫ সালের একটি ঘটনাকে ২০২৬ সালের সঙ্গে যুক্ত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে এবং তাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর চেষ্টা চলছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, যে তরুণীকে কেন্দ্র করে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি পূর্বে কক্সবাজারের একাধিক হোটেলে অভিযানের সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এসব সাজানো নাটকের মাষ্টারমাইন্ড যুগান্তরের কক্সবাজার প্রতিনিধি জসিম। 

আরো পড়ুন: নিরাপত্তা সংকটে সাধারণ মানুষ, চাপের মুখে সরকার

এদিকে একটি পক্ষ অভিযোগ করছে, স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু স্বঘোষিত সাংবাদিককে ব্যবহার করে মব সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুরোনো ঘটনা নতুন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হলে তা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তাই তথ্য-প্রমাণ যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের আনুষ্ঠানিক ভিডিও বার্তায় বক্তব্য পাওয়া গেছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ এবং তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন অপরিহার্য। 

ভিডিও বার্তা: https://www.facebook.com/share/v/1GcoeBgfgH/

বিষয় : কক্সবাজার আপেল মাহমুদ কথিত সাংবাদিক ট্যুরিস্ট পুলিশ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


পুরোনো ঘটনা, নতুন বিতর্ক: আপেল মাহমুদকে ঘিরে অপপ্রচার !

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬

featured Image
  • পর্যটন নিরাপত্তা জোরদারে আপেল মাহমুদের সক্রিয় ভূমিকার উল্লেখ।
  • একটি মহলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিক্রিয়া থেকে অপপ্রচারের অভিযোগ।
  • মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত।
  • হোটেলে দেহ ব্যবসা করতে গিয়ে টিকটকার লায়লা গ্রেপ্তার হয়েছিল।
  • সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়বদ্ধতা প্রশ্নের মুখে।
  • উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।


কক্সবাজার শুধু দেশের নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। প্রতিবছর দেশি-বিদেশি লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে এই সৈকত। পর্যটন শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তাই এ অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তবে দৈনিক সকালের কক্সবাজার” পত্রিকায় প্রকাশিত “পর্যটক সেবার সরঞ্জাম ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য” শীর্ষক সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ট্যুরিস্ট পুলিশকে হয়রানী করার চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অবৈধ দখল, চাঁদাবাজি ও অনিয়ন্ত্রিত দোকান স্থাপনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে টুরিস্ট পুলিশের চলমান উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে টুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে অবকাঠামো ভাড়া দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ আনা হয়। তবে এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন।

আরো পড়ুন: ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ও প্রতিবাদ

টুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পর্যটন নিরাপত্তা জোরদার, বিচ এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ দখলমুক্ত করতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বিশেষ করে বিচের নির্দিষ্ট পয়েন্টে গড়ে ওঠা অনুমতিহীন দোকান, স্থাপনা ও অস্থায়ী কাঠামোর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সাম্প্রতিক এক অভিযানে সৈকতের বিভিন্ন অংশে অবৈধভাবে স্থাপিত দোকান উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। টুরিস্ট পুলিশ দাবি করে, এসব ব্যক্তির মধ্যে কেউ কেউ বিচ দখল সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে হিরু নামের এক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এসবের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, তিনি কক্সবাজার যুগান্তরের প্রতিনিধি। তার সিন্ডকেটের দখলে এসব কার্যক্রম চলছে। কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকেন্দ্রিক কথিত একটি দখল ও মাসোহারা সিন্ডিকেটে যুগান্তরের প্রতিনিধি জসিম নামের এক সাংবাদিকের নাম জড়িয়ে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৈকতের কিছু অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী স্থাপনা ঘিরে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযুক্ত হিসেবে তার নাম এসেছে, তাঁর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সরাসরি বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একটি মাধ্যমে তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দৈনিক সংবাদ দিগন্ত পত্রিকা গোনার সময় নেই।

আরো পড়ুন: পুলিশ হত্যা ও থানা পোড়ানো: কবে হবে বিচার?

এদিকে দৈনিক সকালের কক্সবাজারে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হলে তা ঘিরে বিতর্ক তীব্র হয়। টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের পক্ষ থেকে পাঠানো লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট দলিল, তথ্যপ্রমাণ বা অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়নি। সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুযায়ী অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হলেও তা অনুসরণ করা হয়নি বলে দাবি করা হয়।

রিজিয়ন প্রধানের ভাষ্য, চলমান উচ্ছেদ অভিযানে একটি প্রভাবশালী চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে চ্যালেঞ্জ করছি প্রমাণ থাকলে প্রকাশ করুন, আমরা তদন্তে সহযোগিতা করব।

সৈকতসংলগ্ন কয়েকজন ব্যবসায়ী ও বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিচের বিভিন্ন অংশে অবৈধ দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, “অবৈধ দোকান ও চাঁদাবাজির কারণে পর্যটকদের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছিল। এতে পর্যটন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।


ভিডিও বার্তা: https://www.facebook.com/share/v/1BxU49L3es/

কক্সবাজারের বিখ্যাত সৈকত এলাকায় কিছু কথিত সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে অবৈধ দখল তৈরি হওয়ায় পর্যটকের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়েছে। জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশ ইতিমধ্যেই বিষয়টি নজরে নিয়ে অভিযান শুরু করলে চলে আসে কথিত সাংবাদিকদের তদবির। উভয় সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিরাপদ অবকাশ নিশ্চিত করা এবং আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণে তারা কঠোর অবস্থানে আছেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, অবৈধ দোকান, হোটেল ও চায়ের দখল নিয়ে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে অভিযান চালানো হবে। ট্যুরিস্ট পুলিশ স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে সমন্বয় রেখে আইন মেনে দখলমুক্ত এলাকাগুলো উদ্ধার করবে। পর্যটকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের ফলে সৈকতগুলো পুনরায় সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে পরিণত হবে। আইনগত জটিলতা এড়াতে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, সমস্ত অভিযান সংবিধান ও স্থানীয় আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা, যানবাহন ও আবাসিক সুবিধার ক্ষেত্রে কোনও বাধা সৃষ্টি হবে না। আগামী কয়েক সপ্তাহে অবৈধ দখল প্রতিরোধ ও পর্যটক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সমন্বিতভাবে চলমান অভিযান কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটকবান্ধব একটি নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়ক হবে।

এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “সৈকত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা। কিন্তু কিছু লোক প্রভাব খাটিয়ে জায়গা দখল করেছিল। টুরিস্ট পুলিশের অভিযান শুরু হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে কয়েকজনের মতে, অভিযোগ উঠলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া জরুরি। তারা বলেন, প্রশাসনের কার্যক্রম যেমন স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন, তেমনি সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেও দায়িত্বশীলতা থাকতে হবে।

আরো পড়ুন: পর্যটন নিরাপত্তায় শীর্ষ পর্যায়ের নজর

পর্যটননগরী কক্সবাজারে দায়িত্ব পালনকারী ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহল, প্রশাসনিক সূত্র ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। টিকটকার লায়লার আনা অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রশ্নও উঠেছে। 

এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে যে অভিযোগ এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা হবে। অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের ঘনিষ্ঠ সূত্র দাবি করেছে, অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে চলমান শৃঙ্খলা রক্ষার কঠোর অবস্থানের কারণে একটি মহল অসন্তুষ্ট হয়ে এমন অভিযোগ সামনে আনতে পারে। তবে এই দাবি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরো পড়ুন: দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর বার্তা দিলেন আইজিপি

আইন বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি আইন, মানহানি সংক্রান্ত বিধান এবং সরকারি কর্মচারীদের আচরণবিধি প্রযোজ্য হতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত উভয় পক্ষের বক্তব্য বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা আইনগতভাবে সঠিক নয়। এ বিষয়ে লায়লার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 



বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো অভিযোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও প্রশাসনিক তদন্ত একটি প্রক্রিয়াধীন বিষয়। এতে সময় লাগে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ জরুরি। পর্যটননগরী কক্সবাজারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ সবারই কাম্য। সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, একদিকে অভিযোগের ন্যায্যতা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে, অন্যদিকে প্রশাসনের মর্যাদা ও নিরপেক্ষতা রক্ষার কথাও জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে। এখন তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রতিক অভিযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি মহল দাবি করছে, ২০২৫ সালের একটি ঘটনাকে ২০২৬ সালের সঙ্গে যুক্ত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে এবং তাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানোর চেষ্টা চলছে। ট্যুরিস্ট পুলিশ সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, যে তরুণীকে কেন্দ্র করে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তিনি পূর্বে কক্সবাজারের একাধিক হোটেলে অভিযানের সময় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। এসব সাজানো নাটকের মাষ্টারমাইন্ড যুগান্তরের কক্সবাজার প্রতিনিধি জসিম। 

আরো পড়ুন: নিরাপত্তা সংকটে সাধারণ মানুষ, চাপের মুখে সরকার

এদিকে একটি পক্ষ অভিযোগ করছে, স্থানীয় এক প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু স্বঘোষিত সাংবাদিককে ব্যবহার করে মব সৃষ্টির মাধ্যমে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা হচ্ছে। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া যায়নি। পুরোনো ঘটনা নতুন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করা হলে তা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তাই তথ্য-প্রমাণ যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের আনুষ্ঠানিক ভিডিও বার্তায় বক্তব্য পাওয়া গেছে। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ এবং তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন অপরিহার্য। 

ভিডিও বার্তা: https://www.facebook.com/share/v/1GcoeBgfgH/


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত