বাংলাদেশে পর্যটন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশ এখন শুধু চাঁদাবাজি রোধে নয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও পর্যটক সুরক্ষায়ও চোখে পড়ার মতো ভূমিকা রাখছে। কক্সবাজারে দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজারের সৈকত, পর্যটন কেন্দ্র ও শহরাঞ্চলে পর্যটকরা নিরাপদ বোধ করছেন। বিশেষ করে অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি-এর নেতৃত্বে ট্যুরিস্ট পুলিশ কেবল চাঁদাবাজি রোধেই সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনমনে আস্থা সৃষ্টি-এও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আরো পড়ুন:মঙ্গলবার এমপিদের শপথ পড়াবেন সিইসি
এক ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য বলেন, অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নির্দেশনায় আমরা শুধু চাঁদাবাজি দমন করি না, পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করি। ট্যুরিস্ট পুলিশ মূলত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকাতে তাদের কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। চাঁদাবাজি ও পর্যটক বিরোধী কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মো: মাইনুল হাসান নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের তদারকি করছেন, যা স্থানীয় পর্যটক এবং জনগণের মধ্যে আস্থা গড়ে তুলেছে। পর্যটক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, পুলিশের এই সক্রিয়তা আমাদের যাত্রাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছে। আমরা এখন কক্সবাজারে নিরাপদ বোধ করি এবং যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সহায়তা পাচ্ছি। ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম সামাজিক মাধ্যম, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও পর্যটক কমিউনিটিতে আলোচনার ঝড় তুলেছে। অনলাইন ফোরামে পর্যটকরা লিখেছেন, কক্সবাজারে পর্যটন শুধু আনন্দদায়ক নয়, নিরাপদও।
ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো: মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগকারী বাহিনী নয়, বরং পর্যটকদের জন্য সহায়ক ও সেবামূলক একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে পর্যটন এলাকাগুলোকে নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরো পড়ুন:ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে জুলাই সনদে এনসিপির স্বাক্ষর
ডিআইজি মো: রুহুল আমিন, বিপিএম-সেবা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জনসেবামুখী মনোভাবই পর্যটকদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি। ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যটন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত আপেল মাহমুদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সিদ্ধান্ত, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও অপরাধ দমনে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং একই সঙ্গে পর্যটকদের সহায়তায় সেবা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন। এদিকে পর্যটক তানভীর রহমান বলেন, বর্তমান পুলিশের উপস্থিতি আমাদের জন্য একটি প্রতীক বলা চলে। যদি কোনো সমস্যায় পড়ি, তারা সঙ্গে সঙ্গে সহায়তা করে। শুধু তাই না হোটেল ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে সমস্যা হলে পুলিশ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে।
স্থাানীয় ব্যবসায়ী শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশের নিয়মিত তদারকি ও সহায়তার কারণে আমাদের ব্যবসায়িক পরিবেশও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হয়েছে। পর্যটকরা সহজেই আমাদের হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ভরসা করছে।
আরো পড়ুন:https://dailysdigantabd.com/post/19444/
অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ আরো বলেন, আমরা চাই কক্সবাজার কেবল সুন্দর নয়, নিরাপদও হোক। আমাদের পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদী এবং এটি পর্যটকদের জন্য স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের সাফল্য কেবল চাঁদাবাজি দমনেই সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, পর্যটক সুরক্ষা, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং জনমনে আস্থা সৃষ্টি—সব মিলিয়ে এটি একটি মডেল হিসেবে দেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে প্রয়োগযোগ্য। ট্যুরিস্ট পুলিশের এই কার্যক্রম প্রমাণ করে, সঠিক নেতৃত্ব এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যটন ও নিরাপত্তা সমন্বয় করা সম্ভব। অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে কক্সবাজার এখন শুধু পর্যটনের জন্য নয়, নিরাপত্তার দিক থেকেও দেশের অন্যান্য এলাকায় একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধু চাঁদাবাজি রোধে নয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও পর্যটক সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে কক্সবাজার পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আস্থাভিত্তিক একটি পরিবেশে পরিণত হয়েছে। এই সাফল্য অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রমের জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
আরো পড়ুন: দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সমুদ্রে নামা পর্যটকদের জন্য লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, সৈকতে পর্যাপ্ত লাইফ বয়া ও রেসকিউ টিউব রাখা এবং জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ড্রোন নজরদারি চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে, যাতে সমুদ্রের ওপর থেকে দ্রুত হারিয়ে যাওয়া পর্যটককে শনাক্ত করা যায়। থার্মাল ক্যামেরাযুক্ত ড্রোন ব্যবহার করলে রাতের সময়েও উদ্ধার অভিযান চালানো সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া পর্যটকদের জন্য জিপিএস-সক্ষম স্মার্ট ব্যান্ড বা ট্র্যাকিং ডিভাইস চালুর বিষয়েও প্রস্তাব রয়েছে। এতে কেউ স্রোতে ভেসে গেলে দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার করা সম্ভব হবে। উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে দ্রুতগতির রেসকিউ বোট ও জেট স্কি ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। সৈকতে রিপ কারেন্ট বা বিপজ্জনক স্রোতের বিষয়ে সতর্ক করতে ডিজিটাল সাইনবোর্ড, সতর্কতা পতাকা, সাইরেন এবং ঘোষণা ব্যবস্থাও বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্বে লাইফগার্ড টাওয়ার স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী ও ডাইভার মোতায়েনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
https://www.youtube.com/watch?v=8es2wjJApfo
বিষয় : পুলিশ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশে পর্যটন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ট্যুরিস্ট পুলিশ এখন শুধু চাঁদাবাজি রোধে নয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও পর্যটক সুরক্ষায়ও চোখে পড়ার মতো ভূমিকা রাখছে। কক্সবাজারে দায়িত্বরত ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে কক্সবাজারের সৈকত, পর্যটন কেন্দ্র ও শহরাঞ্চলে পর্যটকরা নিরাপদ বোধ করছেন। বিশেষ করে অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি-এর নেতৃত্বে ট্যুরিস্ট পুলিশ কেবল চাঁদাবাজি রোধেই সীমাবদ্ধ নয়, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনমনে আস্থা সৃষ্টি-এও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আরো পড়ুন:মঙ্গলবার এমপিদের শপথ পড়াবেন সিইসি
এক ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য বলেন, অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নির্দেশনায় আমরা শুধু চাঁদাবাজি দমন করি না, পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করি। ট্যুরিস্ট পুলিশ মূলত পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত। কক্সবাজার, সেন্টমার্টিনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকাতে তাদের কার্যক্রম লক্ষ্য করা যায়। অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। চাঁদাবাজি ও পর্যটক বিরোধী কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মো: মাইনুল হাসান নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের তদারকি করছেন, যা স্থানীয় পর্যটক এবং জনগণের মধ্যে আস্থা গড়ে তুলেছে। পর্যটক মোহাম্মদ সোহেল বলেন, পুলিশের এই সক্রিয়তা আমাদের যাত্রাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করেছে। আমরা এখন কক্সবাজারে নিরাপদ বোধ করি এবং যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সহায়তা পাচ্ছি। ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম সামাজিক মাধ্যম, স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও পর্যটক কমিউনিটিতে আলোচনার ঝড় তুলেছে। অনলাইন ফোরামে পর্যটকরা লিখেছেন, কক্সবাজারে পর্যটন শুধু আনন্দদায়ক নয়, নিরাপদও।
ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো: মাইনুল হাসান, বিপিএম, পিপিএম, এনডিসি বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশের সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগকারী বাহিনী নয়, বরং পর্যটকদের জন্য সহায়ক ও সেবামূলক একটি ইউনিট হিসেবে কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে পর্যটন এলাকাগুলোকে নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আরো পড়ুন:ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে জুলাই সনদে এনসিপির স্বাক্ষর
ডিআইজি মো: রুহুল আমিন, বিপিএম-সেবা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যদের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং জনসেবামুখী মনোভাবই পর্যটকদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি। ভবিষ্যতে আরও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পর্যটন নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত আপেল মাহমুদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে দেখা গেছে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সিদ্ধান্ত, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং স্থানীয়দের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ও অপরাধ দমনে বিশেষ টিম কাজ করছে এবং একই সঙ্গে পর্যটকদের সহায়তায় সেবা কার্যক্রমও বাড়ানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেখানে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন। এদিকে পর্যটক তানভীর রহমান বলেন, বর্তমান পুলিশের উপস্থিতি আমাদের জন্য একটি প্রতীক বলা চলে। যদি কোনো সমস্যায় পড়ি, তারা সঙ্গে সঙ্গে সহায়তা করে। শুধু তাই না হোটেল ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে সমস্যা হলে পুলিশ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে।
স্থাানীয় ব্যবসায়ী শাহিনুর রহমান জানান, পুলিশের নিয়মিত তদারকি ও সহায়তার কারণে আমাদের ব্যবসায়িক পরিবেশও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হয়েছে। পর্যটকরা সহজেই আমাদের হোটেল ও রেস্টুরেন্টে ভরসা করছে।
আরো পড়ুন:https://dailysdigantabd.com/post/19444/
অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ আরো বলেন, আমরা চাই কক্সবাজার কেবল সুন্দর নয়, নিরাপদও হোক। আমাদের পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদী এবং এটি পর্যটকদের জন্য স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের সাফল্য কেবল চাঁদাবাজি দমনেই সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক নিরাপত্তা, পর্যটক সুরক্ষা, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং জনমনে আস্থা সৃষ্টি—সব মিলিয়ে এটি একটি মডেল হিসেবে দেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে প্রয়োগযোগ্য। ট্যুরিস্ট পুলিশের এই কার্যক্রম প্রমাণ করে, সঠিক নেতৃত্ব এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যটন ও নিরাপত্তা সমন্বয় করা সম্ভব। অতিরিক্ত আইজিপি মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে কক্সবাজার এখন শুধু পর্যটনের জন্য নয়, নিরাপত্তার দিক থেকেও দেশের অন্যান্য এলাকায় একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশ শুধু চাঁদাবাজি রোধে নয়, সামাজিক নিরাপত্তা ও পর্যটক সুরক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ মাইনুল হাসান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ-এর নেতৃত্বে কক্সবাজার পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য নিরাপদ, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং আস্থাভিত্তিক একটি পরিবেশে পরিণত হয়েছে। এই সাফল্য অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রমের জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
আরো পড়ুন: দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সমুদ্রে নামা পর্যটকদের জন্য লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, সৈকতে পর্যাপ্ত লাইফ বয়া ও রেসকিউ টিউব রাখা এবং জরুরি উদ্ধার সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা নিয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে ড্রোন নজরদারি চালুর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে, যাতে সমুদ্রের ওপর থেকে দ্রুত হারিয়ে যাওয়া পর্যটককে শনাক্ত করা যায়। থার্মাল ক্যামেরাযুক্ত ড্রোন ব্যবহার করলে রাতের সময়েও উদ্ধার অভিযান চালানো সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া পর্যটকদের জন্য জিপিএস-সক্ষম স্মার্ট ব্যান্ড বা ট্র্যাকিং ডিভাইস চালুর বিষয়েও প্রস্তাব রয়েছে। এতে কেউ স্রোতে ভেসে গেলে দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার করা সম্ভব হবে। উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে দ্রুতগতির রেসকিউ বোট ও জেট স্কি ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। সৈকতে রিপ কারেন্ট বা বিপজ্জনক স্রোতের বিষয়ে সতর্ক করতে ডিজিটাল সাইনবোর্ড, সতর্কতা পতাকা, সাইরেন এবং ঘোষণা ব্যবস্থাও বাড়ানো হতে পারে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট দূরত্বে লাইফগার্ড টাওয়ার স্থাপন এবং প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মী ও ডাইভার মোতায়েনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
https://www.youtube.com/watch?v=8es2wjJApfo

আপনার মতামত লিখুন