চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাজীপাড়া এলাকায় দুই সন্তানের জননী মুক্তার (২০) মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের একপর্যায়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত মুক্তা মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তার মাকে ফোন করে জানায়, শ্বশুরবাড়িতে ইফতারি পাঠানোর কথা এবং তার স্বামী ব্যবসার জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে তাকে মারধরের হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল বলে মাকে জানান মুক্তা।
জানা যায়, মুক্তার বড় সন্তানের বয়স ২ বছর এবং ছোট সন্তানের বয়স মাত্র ৩ মাস। প্রায় তিন বছর আগে চন্দনাইশের হাজীপাড়া এলাকার সিফাতের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ির দাবিতে ঘরের সব ফার্নিচার ও প্রায় এক হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন করেন মুক্তার পরিবার। এরপরও যৌতুকের দাবি বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে নতুন নতুন দাবি তোলা হতো। দাবি পূরণে দেরি হলে মুক্তাকে মারধর করা হতো বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় আদালতের আদেশে চেয়ারম্যানের পদ ফিরে পাওয়া এবং ইউএনও’র বদলি নিয়ে চাঞ্চল্য
মুক্তার পরিবার জানায়, একাধিকবার গিয়ে তারা নির্যাতনের চিহ্ন স্বচক্ষে দেখলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। সর্বশেষ ৫ লাখ টাকা ও ইফতারির দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়। দরিদ্র পরিবার হওয়া সত্ত্বেও মেয়ের সুখের কথা ভেবে মুক্তার বাবা জমি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার আগেই আসে দুঃসংবাদ—মুক্তা আর বেঁচে নেই। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও মুক্তার পরিবারের অভিযোগ, তাকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে তার স্বামী ও শাশুড়ি। তাদের দাবি, তিন বছরের সংসারে মুক্তা শান্তিতে তিন দিনও কাটাতে পারেনি।
স্থানীয়রা বলছেন, আধুনিক সমাজে এসেও যৌতুকের মতো প্রথা এখনও প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে—এটি লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মুক্তার স্বজনরা। তারা বলছেন, আর কোনো মুক্তার মৃত্যু যেন যৌতুকের কারণে না হয়—এটাই আমাদের শেষ দাবি।”

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাজীপাড়া এলাকায় দুই সন্তানের জননী মুক্তার (২০) মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; বরং যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের একপর্যায়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত মুক্তা মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তার মাকে ফোন করে জানায়, শ্বশুরবাড়িতে ইফতারি পাঠানোর কথা এবং তার স্বামী ব্যবসার জন্য ৫ লাখ টাকা দাবি করছেন। টাকা না দিলে তাকে মারধরের হুমকিও দেওয়া হচ্ছিল বলে মাকে জানান মুক্তা।
জানা যায়, মুক্তার বড় সন্তানের বয়স ২ বছর এবং ছোট সন্তানের বয়স মাত্র ৩ মাস। প্রায় তিন বছর আগে চন্দনাইশের হাজীপাড়া এলাকার সিফাতের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় শ্বশুরবাড়ির দাবিতে ঘরের সব ফার্নিচার ও প্রায় এক হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন করেন মুক্তার পরিবার। এরপরও যৌতুকের দাবি বন্ধ হয়নি। বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে নতুন নতুন দাবি তোলা হতো। দাবি পূরণে দেরি হলে মুক্তাকে মারধর করা হতো বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন, নেত্রকোনায় আদালতের আদেশে চেয়ারম্যানের পদ ফিরে পাওয়া এবং ইউএনও’র বদলি নিয়ে চাঞ্চল্য
মুক্তার পরিবার জানায়, একাধিকবার গিয়ে তারা নির্যাতনের চিহ্ন স্বচক্ষে দেখলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। সর্বশেষ ৫ লাখ টাকা ও ইফতারির দাবিতে চাপ বাড়ানো হয়। দরিদ্র পরিবার হওয়া সত্ত্বেও মেয়ের সুখের কথা ভেবে মুক্তার বাবা জমি বিক্রি করে টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার আগেই আসে দুঃসংবাদ—মুক্তা আর বেঁচে নেই। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে এটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও মুক্তার পরিবারের অভিযোগ, তাকে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে হত্যা করেছে তার স্বামী ও শাশুড়ি। তাদের দাবি, তিন বছরের সংসারে মুক্তা শান্তিতে তিন দিনও কাটাতে পারেনি।
স্থানীয়রা বলছেন, আধুনিক সমাজে এসেও যৌতুকের মতো প্রথা এখনও প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে—এটি লজ্জাজনক ও নিন্দনীয়। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন মুক্তার স্বজনরা। তারা বলছেন, আর কোনো মুক্তার মৃত্যু যেন যৌতুকের কারণে না হয়—এটাই আমাদের শেষ দাবি।”

আপনার মতামত লিখুন