বান্দরবানের লামা উপজেলা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে মানিক নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে ফাঁসিয়াখালী পাগলীর আগা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন ও পরিবহন চলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, চকরিয়ার বমুবিলছড়িতে গণসংযোগে সাইফুল ইসলাম, দরজায় দরজায় পৌঁছে দিচ্ছেন সহায়তা
ভ্রাম্যমাণ আদালত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ুএর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মানিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অবৈধভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলা এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে মানিক নামের এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১টার দিকে ফাঁসিয়াখালী পাগলীর আগা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মঈন উদ্দিন। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন ও পরিবহন চলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আরও পড়ুন, চকরিয়ার বমুবিলছড়িতে গণসংযোগে সাইফুল ইসলাম, দরজায় দরজায় পৌঁছে দিচ্ছেন সহায়তা
ভ্রাম্যমাণ আদালত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ুএর সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মানিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, অবৈধভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নদী ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হলে ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের নিয়মিত তদারকির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন