আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ট্রেনের পাশাপাশি পাঁচ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আর ঈদযাত্রার অগ্রিম ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ মার্চ থেকে। তা চলবে আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত। ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ১৩ থেকে ১৮ মার্চ। অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। সম্প্রতি রেল ভবনের সম্মেলনকক্ষে ঈদ উপলক্ষে ট্রেন পরিচালনা ও যাত্রীসেবাসংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ রেলওয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমকে অবহিত করে।
পাঁচ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন : বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে বিশেষ ট্রেন চলাচল করবে। এর মধ্যে রয়েছে, চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম রুটে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা রুটে তিস্তা ঈদ স্পেশাল, ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল, ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ও জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর রুটে পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল।
অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি : বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৩ মার্চ থেকে প্রতিদিন ধারাবাহিকভাবে ১৩ থেকে ১৯ মার্চের ট্রেন যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পশ্চিমাঞ্চলের আন্ত নগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি হবে সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি হবে দুপুর ২টা থেকে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারে চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার টিকিট রিফান্ডযোগ্য নয়। যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি হবে। ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্ত নগর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল থাকবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ টিকিট বিক্রির নামে ফেসবুক লিংক বা ভুয়া অফার দেখা গেলে তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে জানানোর জন্য যাত্রীদের অনুরোধ করেছে।
আপনার মতামত লিখুন