মাধবপুর উপজেলার বারচান্দুরা গ্রামে স্বামীকে হত্যার পর লাশ ঘরে তালাবন্ধ রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।নিহত ফেরদৌস মিয়া (৩৫) বারচান্দুরা গ্রামের সমসু মেম্বারের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেরদৌসের সঙ্গে তার চতুর্থ স্ত্রী তাছলিমা বেগমের দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে আরও একজনের মৃত্যু
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফেরদৌসের বুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত স্ত্রী ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বিষয় : তালাবন্ধ স্বামীকে হত্যা স্ত্রী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মাধবপুর উপজেলার বারচান্দুরা গ্রামে স্বামীকে হত্যার পর লাশ ঘরে তালাবন্ধ রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।নিহত ফেরদৌস মিয়া (৩৫) বারচান্দুরা গ্রামের সমসু মেম্বারের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেরদৌসের সঙ্গে তার চতুর্থ স্ত্রী তাছলিমা বেগমের দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে আরও একজনের মৃত্যু
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফেরদৌসের বুকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে অভিযুক্ত স্ত্রী ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান।খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন