কক্সবাজারের রামু উপজেলার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতা। (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কারাবন্দি এ দুই সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা হলেন ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাঈল। তাদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) মৃত্যুবরণ করলে শনিবার সকালে কক্সবাজার কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই। বাদ জোহর পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন তারা।জানাজা শেষে হাতকড়া হাতে কাঁদতে দেখা যায় তাদের। এ সময় তারা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , চাঁদাবাজির ঘটনায় ফতুল্লায় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি আহত ৪
নিজেদের নির্দোষ দাবি করে তারা মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং অসুস্থ বাবা নূর আহমদের জন্য সবার কাছে দোয়া চান।স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় জামিন লাভের পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির আরেকটি মামলায় পুনরায় আটক দেখানো হয়। পরবর্তীতে সেটিতেও জামিন হওয়ার পর পুনরায় আবারও একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। বর্তমানে প্রায় আড়াই মাস ধরে কারাভোগ করছেন দুই ভাই। কারাবন্দি থাকায় জীবিত অবস্থায় মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারেননি তারা।
বিষয় : আ.লীগ নেতা জানাযায় অংশ প্যারোলে মুক্তি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের রামু উপজেলার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতা। (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কারাবন্দি এ দুই সহোদর আওয়ামী লীগ নেতা হলেন ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাঈল। তাদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) মৃত্যুবরণ করলে শনিবার সকালে কক্সবাজার কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পান দুই ভাই। বাদ জোহর পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেন তারা।জানাজা শেষে হাতকড়া হাতে কাঁদতে দেখা যায় তাদের। এ সময় তারা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , চাঁদাবাজির ঘটনায় ফতুল্লায় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি আহত ৪
নিজেদের নির্দোষ দাবি করে তারা মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং অসুস্থ বাবা নূর আহমদের জন্য সবার কাছে দোয়া চান।স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় জামিন লাভের পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির আরেকটি মামলায় পুনরায় আটক দেখানো হয়। পরবর্তীতে সেটিতেও জামিন হওয়ার পর পুনরায় আবারও একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। বর্তমানে প্রায় আড়াই মাস ধরে কারাভোগ করছেন দুই ভাই। কারাবন্দি থাকায় জীবিত অবস্থায় মায়ের সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারেননি তারা।

আপনার মতামত লিখুন