আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও সীমান্তে ব্যাপক অভিযানের পরও রমরমা মাদক ব্যবসার হেরফের নেই। দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে মাদক কারবারি ও ক্রেতার লেনদেন। এর মধ্যেই অধিক মুনাফার লোভে মাদক কারবারি কেউ কেউ নিজেরাই উৎপাদনে ঝুঁকছে, যা দেশের ভেতর মাদক ব্যবসা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মাদকদ্রব্য ভেজাল উপাদান দিয়ে তৈরি হচ্ছে বলে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যে ভেজাল মদ পানে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা এসেছে সংবাদমাধ্যমে।
প্রচলিত মাদকদ্রব্যের বাইরে গত কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন মাদকদ্রব্য প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে নতুন প্রজন্মের অপ্রচলিত মাদক ‘কুশ’ ও এমডিএমবির চালানসহ জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন নামে আরো কয়েকটি মাদক দেশে ঢুকেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।বিত্তবান লোকদের কাছে এসব মাদকের চাহিদা বেশি। তবে ধরা না পর্যন্ত এসব মাদকদ্রব্যের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
আরো পড়ুন , ভোটাধিকার সচেতনতায় ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালন
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগে বিদেশ থেকে ইয়াবা, হেরোইন বা সিনথেটিক মাদকদ্রব্য আনা হতো বড় চালানে। কিন্তু সীমান্তে নজরদারি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায় বড় চালান ধরা পড়ছে বেশি। এতে পাচারের ঝুঁকি ও ক্ষতির আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় কারবারিরা বিকল্প পথ খুঁজছে। এই পরিস্থিতিতে কিছু চক্র গোপনে স্থানীয়ভাবে ছোট ল্যাবরেটরি স্থাপন করে মাদক তৈরি করছে বলে তথ্য মিলেছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গী থেকে এক আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল উপাদানে তৈরি ইয়াবা ও ভেজাল উপাদান উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ভাটারা থানায় পৃথক দুটি অভিযানে ভেজাল মদের কারখানা ও উৎপাদনকারী চক্রের সন্ধান পেয়েছে ডিএনসি। একই দিন রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় আধুনিক ল্যাবরেটরিতে নতুন প্রজন্মের অপ্রচলিত মাদক ‘কুশ’ তৈরির বিষয়টি উদঘাটন করা হয়।
ঘটনা দুটি আলাদা হলেও উভয় ক্ষেত্রে মাদকচক্রের পরিকল্পিত, সংগঠিত ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম সামনে এসেছে। অন্যদিকে গত ১১ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো নতুন ধরনের মাদক এমডিএমবির চালান জব্দ করা হয়। ভেপ ই-সিগারেটের মধ্যে গোপনে এই মাদক সরবরাহ করা হতো। মালয়েশিয়া থেকে সংগ্রহ করা এই মাদকদ্রব্যের চক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএনসি।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কড়া নজরদারি ও সীমান্তে ব্যাপক অভিযানের পরও রমরমা মাদক ব্যবসার হেরফের নেই। দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে মাদক কারবারি ও ক্রেতার লেনদেন। এর মধ্যেই অধিক মুনাফার লোভে মাদক কারবারি কেউ কেউ নিজেরাই উৎপাদনে ঝুঁকছে, যা দেশের ভেতর মাদক ব্যবসা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মাদকদ্রব্য ভেজাল উপাদান দিয়ে তৈরি হচ্ছে বলে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যে ভেজাল মদ পানে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা এসেছে সংবাদমাধ্যমে।
প্রচলিত মাদকদ্রব্যের বাইরে গত কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন মাদকদ্রব্য প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে নতুন প্রজন্মের অপ্রচলিত মাদক ‘কুশ’ ও এমডিএমবির চালানসহ জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন নামে আরো কয়েকটি মাদক দেশে ঢুকেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।বিত্তবান লোকদের কাছে এসব মাদকের চাহিদা বেশি। তবে ধরা না পর্যন্ত এসব মাদকদ্রব্যের নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
আরো পড়ুন , ভোটাধিকার সচেতনতায় ২ মার্চ জাতীয় ভোটার দিবস পালন
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগে বিদেশ থেকে ইয়াবা, হেরোইন বা সিনথেটিক মাদকদ্রব্য আনা হতো বড় চালানে। কিন্তু সীমান্তে নজরদারি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ায় বড় চালান ধরা পড়ছে বেশি। এতে পাচারের ঝুঁকি ও ক্ষতির আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় কারবারিরা বিকল্প পথ খুঁজছে। এই পরিস্থিতিতে কিছু চক্র গোপনে স্থানীয়ভাবে ছোট ল্যাবরেটরি স্থাপন করে মাদক তৈরি করছে বলে তথ্য মিলেছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গী থেকে এক আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল উপাদানে তৈরি ইয়াবা ও ভেজাল উপাদান উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ভাটারা থানায় পৃথক দুটি অভিযানে ভেজাল মদের কারখানা ও উৎপাদনকারী চক্রের সন্ধান পেয়েছে ডিএনসি। একই দিন রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় আধুনিক ল্যাবরেটরিতে নতুন প্রজন্মের অপ্রচলিত মাদক ‘কুশ’ তৈরির বিষয়টি উদঘাটন করা হয়।
ঘটনা দুটি আলাদা হলেও উভয় ক্ষেত্রে মাদকচক্রের পরিকল্পিত, সংগঠিত ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম সামনে এসেছে। অন্যদিকে গত ১১ ডিসেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো নতুন ধরনের মাদক এমডিএমবির চালান জব্দ করা হয়। ভেপ ই-সিগারেটের মধ্যে গোপনে এই মাদক সরবরাহ করা হতো। মালয়েশিয়া থেকে সংগ্রহ করা এই মাদকদ্রব্যের চক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএনসি।

আপনার মতামত লিখুন