দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

হারানো ব্যাংকের ব্লাংক চেক দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও পাণনাশের হুমকি

হারানো ব্যাংকের ব্লাংক চেক দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও পাণনাশের হুমকি
হারানো ব্যাংকের ব্লাংক চেক দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও পাণনাশের হুমকি

হারিয়ে যাওয়া স্বাক্ষর করা চারটি ব্লাংক চেক # ৩৯; (অলিখিত চেক) উদ্ধার করে ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে তা দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে নুর মোহাম্মদ নামের এক ব্যাক্তি। যার মামলা নং- ৬৬২/২৪। মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ঝিনাইদহের মহেশথপুর উপজেলার আলামপুর কুলবাগান গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ গত ১৯ জুলাই ২০২৩ তারিখে কোটচাঁদপুর যাওয়ার পথে অসতর্কতাবশত তার

স্বাক্ষর করা ৪টি অলিখিত ব্লাংক চেক হারিয়ে যায়। যার মধ্যে দুটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (কোটচাঁদপুর শাখা) এবং দুটি পূবালী ব্যাংক লিমিটেড (কোটচাঁদপুর উপশাখা) এর চেক। চেকগুলো হারিয়ে যাওয়ার পর তিনি কোটচাঁদপুর থানায় ২০ জুলাই ২০২৩ তারিখে পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ৯৯৪ ও ৯৯৭) করেন।

আদালতে দায়ের করা মামলার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন সিরাজগঞ্জের আশুতোষ দাস (৪৭), গাইবান্ধার মোঃ নজরুল ইসলাম (৭০) এবং জামালপুরের সামসুল হক ব্যাপারী (৬০)। ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদ জানান, ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি জানতে পারেন যে তার হারানো চেকগুলো অভিযুক্তদের হেফাজতে রয়েছে। তিনি মহেশপুর বাজারে তাদের কাছে চেকগুলো ফেরত চাইলে তারা তা দিতে অস্বীকার করেন। উল্টে চেকগুলো ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে প্রান নাশের হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি আরো জানান, তার স্বাক্ষর করা এই চেকগুলো ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জের আশুতোষ দাস, গাইবান্ধার নজরুল ইসলাম এবং জামালপুরের সামসুল হক ব্যাপারী। ভুয়া পাওনা দার সাজিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি করতে পারেন। 

আরও পড়ুন, মহেশপুরে সরকারি জমি দখল করে আবারও দোকান ঘর নির্মান

এই অবস্থায় চেকগুলো উদ্ধারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের নিকট।  আবেদন করেছেন। নুর মোহাম্মদ জানান, আমার অসতর্কতায় হারিয়ে যাওয়া চেকগুলো ফিরে পাওয়ার বদলে এখন আমাকে সপরিবারে প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। আমি আদালতের কাছে এই জালিয়াতি চক্রের হাত থেকে রক্ষা এবং আমার হারিয়ে যাওয়া চেকগুলো উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছি। বর্তমানে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান নুর মোহাম্মদ।

বিষয় : হুমকি ব্ল্যাকমেইল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


হারানো ব্যাংকের ব্লাংক চেক দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও পাণনাশের হুমকি

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

হারিয়ে যাওয়া স্বাক্ষর করা চারটি ব্লাংক চেক # ৩৯; (অলিখিত চেক) উদ্ধার করে ফেরত দেওয়ার পরিবর্তে তা দিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করে ব্ল্যাকমেইল এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছে নুর মোহাম্মদ নামের এক ব্যাক্তি। যার মামলা নং- ৬৬২/২৪। মামলার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ঝিনাইদহের মহেশথপুর উপজেলার আলামপুর কুলবাগান গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ গত ১৯ জুলাই ২০২৩ তারিখে কোটচাঁদপুর যাওয়ার পথে অসতর্কতাবশত তার

স্বাক্ষর করা ৪টি অলিখিত ব্লাংক চেক হারিয়ে যায়। যার মধ্যে দুটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (কোটচাঁদপুর শাখা) এবং দুটি পূবালী ব্যাংক লিমিটেড (কোটচাঁদপুর উপশাখা) এর চেক। চেকগুলো হারিয়ে যাওয়ার পর তিনি কোটচাঁদপুর থানায় ২০ জুলাই ২০২৩ তারিখে পৃথক দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং- ৯৯৪ ও ৯৯৭) করেন।

আদালতে দায়ের করা মামলার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন সিরাজগঞ্জের আশুতোষ দাস (৪৭), গাইবান্ধার মোঃ নজরুল ইসলাম (৭০) এবং জামালপুরের সামসুল হক ব্যাপারী (৬০)। ভুক্তভোগী নুর মোহাম্মদ জানান, ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি জানতে পারেন যে তার হারানো চেকগুলো অভিযুক্তদের হেফাজতে রয়েছে। তিনি মহেশপুর বাজারে তাদের কাছে চেকগুলো ফেরত চাইলে তারা তা দিতে অস্বীকার করেন। উল্টে চেকগুলো ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে প্রান নাশের হুমকিও দেওয়া হয়। তিনি আরো জানান, তার স্বাক্ষর করা এই চেকগুলো ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জের আশুতোষ দাস, গাইবান্ধার নজরুল ইসলাম এবং জামালপুরের সামসুল হক ব্যাপারী। ভুয়া পাওনা দার সাজিয়ে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি করতে পারেন। 

আরও পড়ুন, মহেশপুরে সরকারি জমি দখল করে আবারও দোকান ঘর নির্মান

এই অবস্থায় চেকগুলো উদ্ধারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের নিকট।  আবেদন করেছেন। নুর মোহাম্মদ জানান, আমার অসতর্কতায় হারিয়ে যাওয়া চেকগুলো ফিরে পাওয়ার বদলে এখন আমাকে সপরিবারে প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। আমি আদালতের কাছে এই জালিয়াতি চক্রের হাত থেকে রক্ষা এবং আমার হারিয়ে যাওয়া চেকগুলো উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছি। বর্তমানে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান নুর মোহাম্মদ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত