দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জিয়াউল আহসান সিরিয়াল কিলারের মতো আচরণ করেছেন : সাবেক সেনাপ্রধান

জিয়াউল আহসান সিরিয়াল কিলারের মতো আচরণ করেছেন :  সাবেক সেনাপ্রধান
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভুঁইয়া সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানে বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভুঁইয়া সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানে বিরুদ্ধে। মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান-কে একজন ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যা দিয়ে তার পদোন্নতির বিরোধিতা করেছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তবে পদোন্নতি বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য তাকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচনা করে পদোন্নতির সুপারিশ করেছিলেন বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের জেরার সময় এসব কথা বলেন সাবেক সেনাপ্রধান। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা হয়।


আরো পড়ুন , ওবায়দুল কাদেরকে মোকাবিলায় ওসমান হাদির সাক্ষ্য প্রয়োজন : প্রসিকিউশন


এ প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।জিয়াউল আহসানের পক্ষে জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। তিনি জানতে চান সেনাপ্রধান থাকাকালে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান কতটি পদোন্নতি পেয়েছেন।জবাবে ইকবাল করিম ভূঁইয়া জানান, ওই সময়ে তিনি মাত্র একবার পদোন্নতি পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে।

আইনজীবী জানতে চান, এই পদোন্নতির পক্ষে কতজন সুপারিশ করেছিলেন।উত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য মতামত দিয়েছিলেন। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই জিয়াউল আহসানকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। তবে তিনি দাবি করেন, অনেক সদস্যই ভবিষ্যৎ স্বার্থ বিবেচনায় মত দিয়েছেন।জেরার একপর্যায়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, তিনি তৎকালীন মেজর জেনারেল মোমেনকে ডেকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন জিয়াউল আহসান একজন ‘সিরিয়াল কিলার’ এবং তিনি তার পদোন্নতির পক্ষে নন। মোমেন সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করলেও, অধিকাংশ সদস্য তাকে ‘ভালো কর্মকর্তা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পদোন্নতির সুপারিশ করেন। 

বিষয় : জিয়াউল সংঘটিত সাবেক সেনাপ্রধান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


জিয়াউল আহসান সিরিয়াল কিলারের মতো আচরণ করেছেন : সাবেক সেনাপ্রধান

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভুঁইয়া সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানে বিরুদ্ধে। মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান-কে একজন ‘সিরিয়াল কিলার’ আখ্যা দিয়ে তার পদোন্নতির বিরোধিতা করেছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তবে পদোন্নতি বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য তাকে ভালো কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচনা করে পদোন্নতির সুপারিশ করেছিলেন বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের জেরার সময় এসব কথা বলেন সাবেক সেনাপ্রধান। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা হয়।


আরো পড়ুন , ওবায়দুল কাদেরকে মোকাবিলায় ওসমান হাদির সাক্ষ্য প্রয়োজন : প্রসিকিউশন


এ প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।জিয়াউল আহসানের পক্ষে জেরা করেন আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো। তিনি জানতে চান সেনাপ্রধান থাকাকালে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে জিয়াউল আহসান কতটি পদোন্নতি পেয়েছেন।জবাবে ইকবাল করিম ভূঁইয়া জানান, ওই সময়ে তিনি মাত্র একবার পদোন্নতি পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদে।

আইনজীবী জানতে চান, এই পদোন্নতির পক্ষে কতজন সুপারিশ করেছিলেন।উত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য মতামত দিয়েছিলেন। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই জিয়াউল আহসানকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। তবে তিনি দাবি করেন, অনেক সদস্যই ভবিষ্যৎ স্বার্থ বিবেচনায় মত দিয়েছেন।জেরার একপর্যায়ে ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, তিনি তৎকালীন মেজর জেনারেল মোমেনকে ডেকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন জিয়াউল আহসান একজন ‘সিরিয়াল কিলার’ এবং তিনি তার পদোন্নতির পক্ষে নন। মোমেন সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করলেও, অধিকাংশ সদস্য তাকে ‘ভালো কর্মকর্তা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে পদোন্নতির সুপারিশ করেন। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত