রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামে ১২ বছর বয়সী কিশোরী ময়না বেগমের রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। নিহত কিশোরীর পিতা রুমান মিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১১টার দিকে ময়নাকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল এবং গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিহত ময়নার পিতা রুমান মিয়া, সৎমাতা নাজিরা বেগম এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়িতে থাকতেন। তার মা ইশা বেগম ঢাকায় থাকতেন।
আরও পড়ুন, নাটোরের গুরুদাস পুরে ১ জন এসিড দগ্ধ
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রুমান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ঘটনার আলামত দেখে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, রুমান মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। অন্যরা পরিবারের ভেতরে অশান্তির কথাও উল্লেখ করেছেন। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আমরা অভিযোগটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছাপ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের চওড়াপাড়া গ্রামে ১২ বছর বয়সী কিশোরী ময়না বেগমের রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। নিহত কিশোরীর পিতা রুমান মিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১১টার দিকে ময়নাকে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মরদেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল এবং গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিহত ময়নার পিতা রুমান মিয়া, সৎমাতা নাজিরা বেগম এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়িতে থাকতেন। তার মা ইশা বেগম ঢাকায় থাকতেন।
আরও পড়ুন, নাটোরের গুরুদাস পুরে ১ জন এসিড দগ্ধ
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রুমান মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ঘটনার আলামত দেখে সন্দেহ করা হচ্ছে যে, রুমান মিয়া তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে। অন্যরা পরিবারের ভেতরে অশান্তির কথাও উল্লেখ করেছেন। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, “ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আমরা অভিযোগটিকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছাপ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন