মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত একটি বাড়ি থেকে দুই বালতিভর্তি আনুমানিক ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি এলাকা থেকে এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।
সেনাবাহীনির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মুন্সীগঞ্জ সদর সেনা শিবিরের সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি এলাকায় যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালায়। অভিযানে আক্তার দেওয়ানের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে দুইটি বালতিতে রাখা আনুমানিক ৩০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যুবদল কর্মীর ওপর হামলায় আঙুল বিচ্ছিন্ন, দুই পা ভাঙা
অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। পরে উদ্ধার বিস্ফোরক সামগ্রী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মুন্সিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণকে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে নিকটস্থ সেনা শিবিরে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিষয় : ককটেল মুন্সীগঞ্জ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুন্সীগঞ্জে পরিত্যক্ত একটি বাড়ি থেকে দুই বালতিভর্তি আনুমানিক ৩০টি তাজা ককটেল উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি এলাকা থেকে এসব ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।
সেনাবাহীনির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মুন্সীগঞ্জ সদর সেনা শিবিরের সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে চরকেওয়ার ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি এলাকায় যৌথ বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালায়। অভিযানে আক্তার দেওয়ানের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে দুইটি বালতিতে রাখা আনুমানিক ৩০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে যুবদল কর্মীর ওপর হামলায় আঙুল বিচ্ছিন্ন, দুই পা ভাঙা
অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে পাওয়া যায়নি। পরে উদ্ধার বিস্ফোরক সামগ্রী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য মুন্সিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা বদ্ধপরিকর। সন্ত্রাসী ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণকে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে নিকটস্থ সেনা শিবিরে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন