রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে একমাত্র নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন হাবিবা বেগম। তাকে ভোটকেন্দ্রের সামনে প্রকাশ্যেই চড়-থাপ্পড় মারার ঘটনায় অভিযোগ দেওয়া হলেও সেটি আমলে না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতেই হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মো. আকবর হোসেন রাজশাহীর কাটাখালী থানায় এ অভিযোগ দিতে যান।
হাবিবা বেগম মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আকবর হোসেন জানান, ঘটনার ব্যাপারে মামলা করতে ভোটের রাতেই কাটাখালী থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে যান। কিন্তু থানায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, থানায় এখন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেই। তাই অভিযোগ নেওয়া যাবে না। থানায় অভিযোগ না নেওয়ায় রাতেই তিনি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
আরো পড়ুন , নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথি দাওয়াত পাবেন
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভোটকেন্দ্রের আনুমানিক ১০০ গজ উত্তরে হাবিবা বেগম ও তার নির্বাচনি কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা কামনা করা হয়।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ চলাকালে বেলা তিনটার দিকে তিনি পবা উপজেলার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে যান। সেখানে তিনি ভোটারদের কাছে ভোটও চাইছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হন হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রজব আলী।
হামলার সময়ের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে রজব আলী হঠাৎ হাবিবা বেগমকে সজোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে হাবিবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ার মতো অবস্থা হয়। কোনোমতে সামলে নিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে তাকে আবারও থাপ্পড় মারা হয়। পরে হাবিবার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে রক্ষা করেন। এ সময় আরেক ব্যক্তি অভিযুক্তকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
বিষয় : অভিযোগ প্রকাশ্যে ভোটকেন্দ্র

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজশাহীর ছয়টি আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে একমাত্র নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন হাবিবা বেগম। তাকে ভোটকেন্দ্রের সামনে প্রকাশ্যেই চড়-থাপ্পড় মারার ঘটনায় অভিযোগ দেওয়া হলেও সেটি আমলে না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতেই হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মো. আকবর হোসেন রাজশাহীর কাটাখালী থানায় এ অভিযোগ দিতে যান।
হাবিবা বেগম মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আকবর হোসেন জানান, ঘটনার ব্যাপারে মামলা করতে ভোটের রাতেই কাটাখালী থানায় গিয়ে অভিযোগ দিতে যান। কিন্তু থানায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, থানায় এখন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেই। তাই অভিযোগ নেওয়া যাবে না। থানায় অভিযোগ না নেওয়ায় রাতেই তিনি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
আরো পড়ুন , নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথি দাওয়াত পাবেন
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ভোটকেন্দ্রের আনুমানিক ১০০ গজ উত্তরে হাবিবা বেগম ও তার নির্বাচনি কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য তদন্তপূর্বক দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা কামনা করা হয়।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ চলাকালে বেলা তিনটার দিকে তিনি পবা উপজেলার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে যান। সেখানে তিনি ভোটারদের কাছে ভোটও চাইছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হন হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রজব আলী।
হামলার সময়ের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে রজব আলী হঠাৎ হাবিবা বেগমকে সজোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে হাবিবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ার মতো অবস্থা হয়। কোনোমতে সামলে নিয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে তাকে আবারও থাপ্পড় মারা হয়। পরে হাবিবার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে রক্ষা করেন। এ সময় আরেক ব্যক্তি অভিযুক্তকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।

আপনার মতামত লিখুন