নির্বাচন শেষ হতে না হতেই পরিবহনে চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাভারের আশুলিয়ায় যাত্রীবাহী পরিবহণগুলো থেকে চাঁদা নেওয়ার সময় অপ্রীতিকর ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়।দেখা যায়, বেশ কিছু যুবক নিজেদের বিএনপির কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে চাঁদা চাইলে জনগণ তাদের ধাওয়া দেয় ও একজনকে গণধোলাই দেয়। এ সময় অন্যান্য চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন জানায়, সোহাগ পরিবহন থেকে জোরপূর্বক চাঁদা নেওয়ার সময় বাসের চালক হেলপাররা প্রতিবাদ করলে তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী পরিচয় দেয়। এ সময় বাসের যাত্রীরাও নেমে এসে তাদের আটকের চেষ্টা করলে কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে তাদের এক পাতি নেতাকে জনতা উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় পরিবহণ সেক্টরে হঠাৎ করেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আশুলিয়া পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে ধানের শীষ–ঘোড়া সমর্থকদের সংঘর্ষ
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার রাত ১০টায় বলেন, রাতে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে এ ধরনের একটি খবর পাওয়ার পর আমি দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠাই। কিন্তু চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এলাকার বিএনপি নেতারাও তাদের চেনেন না বলে জানিয়েছেন। তবে এ ধরনের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। ফুটেজ দেখে চাঁদাবাজকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে পুলিশ জানায়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন শেষ হতে না হতেই পরিবহনে চাঁদাবাজি শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাভারের আশুলিয়ায় যাত্রীবাহী পরিবহণগুলো থেকে চাঁদা নেওয়ার সময় অপ্রীতিকর ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়।দেখা যায়, বেশ কিছু যুবক নিজেদের বিএনপির কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে চাঁদা চাইলে জনগণ তাদের ধাওয়া দেয় ও একজনকে গণধোলাই দেয়। এ সময় অন্যান্য চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়।
স্থানীয় লোকজন জানায়, সোহাগ পরিবহন থেকে জোরপূর্বক চাঁদা নেওয়ার সময় বাসের চালক হেলপাররা প্রতিবাদ করলে তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী পরিচয় দেয়। এ সময় বাসের যাত্রীরাও নেমে এসে তাদের আটকের চেষ্টা করলে কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে তাদের এক পাতি নেতাকে জনতা উত্তম মাধ্যম দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। এ ঘটনায় পরিবহণ সেক্টরে হঠাৎ করেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে আশুলিয়া পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।
আরও পড়ুন, বাগেরহাটে ধানের শীষ–ঘোড়া সমর্থকদের সংঘর্ষ
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার রাত ১০টায় বলেন, রাতে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে এ ধরনের একটি খবর পাওয়ার পর আমি দ্রুত পুলিশ ফোর্স পাঠাই। কিন্তু চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, এলাকার বিএনপি নেতারাও তাদের চেনেন না বলে জানিয়েছেন। তবে এ ধরনের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। ফুটেজ দেখে চাঁদাবাজকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে পুলিশ জানায়।

আপনার মতামত লিখুন