দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিশৃঙ্খলায় জিরো টলারেন্স সতর্কবার্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

বিশৃঙ্খলায় জিরো টলারেন্স সতর্কবার্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
কোথাও সংঘাত হলেই কঠোর অবস্থানে যাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

কোথাও সংঘাত হলেই কঠোর অবস্থানে যাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেনা সদর থেকে। সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি মানুষের একটি তালিকা তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরা নির্বাচনের কেন্দ্রে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাদের ওপর বিশেষ নজর থাকবে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের। গতকাল মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনা সদস্যদের টহল দেখা গেছে। ঢাকার আজিমপুর এলাকায় সেনা সদস্যরা বিশেষ মহড়া দিয়েছেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠে নেমেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য। এর মধ্যে সারা দেশে ৮ হাজার ৭৪৬টি ভোটকেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদেরও গ্রেফতারের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এখন যাদের গ্রেফতার করা হবে তাদের নির্বাচনের আগে ছাড়া হবে না।


আরো পড়ুন , প্রহর গুনছে দেশ সকাল হলেই ভোট


জানা গেছে, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির আশঙ্কায় এসব এলাকাকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সূত্র জানায়, নির্বাচনে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোয় ২৫ হাজার ৫০০টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ক্যামেরায় সিম কার্ড সংযুক্ত থাকবে। কোনো ভোটকেন্দ্রে গোলমাল শুরু হলে এসওএস বা জরুরি বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে এসব ক্যামেরা থেকে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে। এই ক্যামেরাগুলোর বিতরণ ও ব্যবহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি)। তাদের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত হবে কোন কেন্দ্রে কতটি ক্যামেরা যাবে, কোথায় অনলাইন আর কোথায় অফলাইন ব্যবস্থাটি ব্যবহার করা হবে। স্থানীয় ঝুঁকি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিষয় : আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ জিরো টলারেন্স

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বিশৃঙ্খলায় জিরো টলারেন্স সতর্কবার্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

কোথাও সংঘাত হলেই কঠোর অবস্থানে যাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেনা সদর থেকে। সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি মানুষের একটি তালিকা তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরা নির্বাচনের কেন্দ্রে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাদের ওপর বিশেষ নজর থাকবে পুলিশ ও সেনা সদস্যদের। গতকাল মঙ্গলবারও দেশের বিভিন্ন স্থানে সেনা সদস্যদের টহল দেখা গেছে। ঢাকার আজিমপুর এলাকায় সেনা সদস্যরা বিশেষ মহড়া দিয়েছেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠে নেমেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য। এর মধ্যে সারা দেশে ৮ হাজার ৭৪৬টি ভোটকেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ভোটকেন্দ্রে প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদেরও গ্রেফতারের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, এখন যাদের গ্রেফতার করা হবে তাদের নির্বাচনের আগে ছাড়া হবে না।


আরো পড়ুন , প্রহর গুনছে দেশ সকাল হলেই ভোট


জানা গেছে, এবার বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমান বাহিনী ৩ হাজার ৭৩০, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন, র্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ জন, চৌকিদার দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির আশঙ্কায় এসব এলাকাকে বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সূত্র জানায়, নির্বাচনে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোয় ২৫ হাজার ৫০০টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার ক্যামেরায় সিম কার্ড সংযুক্ত থাকবে। কোনো ভোটকেন্দ্রে গোলমাল শুরু হলে এসওএস বা জরুরি বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে এসব ক্যামেরা থেকে সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে। এই ক্যামেরাগুলোর বিতরণ ও ব্যবহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেলা পুলিশ সুপারদের (এসপি)। তাদের তত্ত্বাবধানে নির্ধারিত হবে কোন কেন্দ্রে কতটি ক্যামেরা যাবে, কোথায় অনলাইন আর কোথায় অফলাইন ব্যবস্থাটি ব্যবহার করা হবে। স্থানীয় ঝুঁকি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত