শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নে গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোর ৩টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের ছিটু মাদবর কান্দি গ্রামে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নড়িয়া আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার বিএ-৮১৭২ মেজর অনন্য চন্দ্র শেখর কর এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত ওই অভিযানে মো. শাজাহান মুন্সির বাড়ির রান্নাঘরের পেছন দিক থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো কে বা কারা সেখানে রেখে গেছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন, ধানের শীষ দাঁড়িপাল্লার লড়াইয়ে উত্তপ্ত কুষ্টিয়া- ৩
অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের পর বর্তমানে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথবাহিনীর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নে গভীর রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোর ৩টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের ছিটু মাদবর কান্দি গ্রামে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। নড়িয়া আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার বিএ-৮১৭২ মেজর অনন্য চন্দ্র শেখর কর এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত ওই অভিযানে মো. শাজাহান মুন্সির বাড়ির রান্নাঘরের পেছন দিক থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো কে বা কারা সেখানে রেখে গেছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন, ধানের শীষ দাঁড়িপাল্লার লড়াইয়ে উত্তপ্ত কুষ্টিয়া- ৩
অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত ককটেলগুলো পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের পর বর্তমানে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথবাহিনীর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন