বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপা নিয়ে নতুন করে আশার কথা জানাল নাসা। বহু বছর আগে সংগৃহীত মহাকাশ তথ্য আবার বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা ইউরোপার পৃষ্ঠে অ্যামোনিয়া-যুক্ত যৌগের (ammonia-bearing compounds) চিহ্ন পেয়েছেন। নাসা বলছে, এই আবিষ্কার ইউরোপার পুরু বরফের নিচে কী ঘটছে, তা বুঝতে সাহায্য করবে। নাসার গ্যালিলিও মহাকাশযান থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে গবেষকরা একটি যৌথ ছবি তৈরি করেন। এতে প্রায় ২৫০ মাইল বা ৪০০ কিলোমিটার বিস্তৃত একটি এলাকার কাছ থেকে তোলা একাধিক ছবি একসঙ্গে জুড়ে একটি সাদা-কালো মোজাইক তৈরি করা হয়।
এছাড়া গ্যালিলিওর নিয়ার-ইনফ্রারেড ম্যাপিং স্পেকট্রোমিটার (NIMS)-এর তথ্যও ছবির ওপর বসানো হয়েছে। এই ডেটায় লাল রঙের পিক্সেল দেখানো হয়েছে, যেখানে অ্যামোনিয়া-যুক্ত যৌগ পাওয়া গেছে। আর বেগুনি রঙের পিক্সেল দেখিয়েছে, যেখানে এসব যৌগ পাওয়া যায়নি। নাসা জানিয়েছে, এই NIMS ডেটা গ্যালিলিওর ১৯৯৭ সালের ১১তম কক্ষপথে সংগৃহীত।
আরও পড়ুন, অ্যাপল–গুগল অংশীদারিত্বে সিরিতে আসছে জেমিনি এআই
ছবিতে ইউরোপার বরফের পৃষ্ঠে কিছু গাঢ়, একে অপরকে ছেদ করা দাগও দেখা গেছে, যা বরফস্তরে বড় ধরনের ফাটল নির্দেশ করে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ফাটলের আশপাশে অ্যামোনিয়া বেশি থাকার অর্থ হতে পারে—ভেতরের কোনো প্রক্রিয়ায় (ক্রায়োভলকানো বা বরফ আগ্নেয়গিরি ধরনের কার্যক্রম) নিচের তরল পানি উঠে এসে পৃষ্ঠে পৌঁছেছে। ইউরোপার বরফের নিচে একটি বড় সমুদ্র থাকার সম্ভাবনা আগেই বিজ্ঞানীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উল্লেখ্য, নাসার গ্যালিলিও মিশন ১৯৮৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি ২০০৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপা নিয়ে নতুন করে আশার কথা জানাল নাসা। বহু বছর আগে সংগৃহীত মহাকাশ তথ্য আবার বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা ইউরোপার পৃষ্ঠে অ্যামোনিয়া-যুক্ত যৌগের (ammonia-bearing compounds) চিহ্ন পেয়েছেন। নাসা বলছে, এই আবিষ্কার ইউরোপার পুরু বরফের নিচে কী ঘটছে, তা বুঝতে সাহায্য করবে। নাসার গ্যালিলিও মহাকাশযান থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে গবেষকরা একটি যৌথ ছবি তৈরি করেন। এতে প্রায় ২৫০ মাইল বা ৪০০ কিলোমিটার বিস্তৃত একটি এলাকার কাছ থেকে তোলা একাধিক ছবি একসঙ্গে জুড়ে একটি সাদা-কালো মোজাইক তৈরি করা হয়।
এছাড়া গ্যালিলিওর নিয়ার-ইনফ্রারেড ম্যাপিং স্পেকট্রোমিটার (NIMS)-এর তথ্যও ছবির ওপর বসানো হয়েছে। এই ডেটায় লাল রঙের পিক্সেল দেখানো হয়েছে, যেখানে অ্যামোনিয়া-যুক্ত যৌগ পাওয়া গেছে। আর বেগুনি রঙের পিক্সেল দেখিয়েছে, যেখানে এসব যৌগ পাওয়া যায়নি। নাসা জানিয়েছে, এই NIMS ডেটা গ্যালিলিওর ১৯৯৭ সালের ১১তম কক্ষপথে সংগৃহীত।
আরও পড়ুন, অ্যাপল–গুগল অংশীদারিত্বে সিরিতে আসছে জেমিনি এআই
ছবিতে ইউরোপার বরফের পৃষ্ঠে কিছু গাঢ়, একে অপরকে ছেদ করা দাগও দেখা গেছে, যা বরফস্তরে বড় ধরনের ফাটল নির্দেশ করে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ফাটলের আশপাশে অ্যামোনিয়া বেশি থাকার অর্থ হতে পারে—ভেতরের কোনো প্রক্রিয়ায় (ক্রায়োভলকানো বা বরফ আগ্নেয়গিরি ধরনের কার্যক্রম) নিচের তরল পানি উঠে এসে পৃষ্ঠে পৌঁছেছে। ইউরোপার বরফের নিচে একটি বড় সমুদ্র থাকার সম্ভাবনা আগেই বিজ্ঞানীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উল্লেখ্য, নাসার গ্যালিলিও মিশন ১৯৮৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি ২০০৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।

আপনার মতামত লিখুন