টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই বিট অফিসের কর্মচারী বিট কর্মকর্তা আবুল সিদ্দিকের কথায় চা খাওয়ার জন্য গাছ ভর্তি এক গাড়ির ড্রাইভার এর কাছ থেকে ৫২০ টাকা ঘুষ নেন। ভিডিওটি ধারণ করেন একাধিক সংবাদ কর্মী। জিজ্ঞেস করলে বলা হয় চা খাওয়ার জন্য নিয়েছে। এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া সহ এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বিট অফিসার সিদ্দিক ঘটনাটিকে স্বীকার করলেও নিজেকে দায় থেকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন যিনি নিয়েছেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু ভিডিওটিতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে বিট অফিসার আবু সিদ্দিকের কথাতেই ঘুষ নেয়া হয়েছে। এমনটাই বলেন টাকা জিনি নেন সেই ব্যক্তি। টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডঃ মহসিন বলেন, আমি তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আরও পড়ুন, মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে গ্রামীণফোন কাস্টমার পয়েন্ট উদ্বোধন
তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, শুধু একটি কাঠের গাড়ি নয় প্রত্যেকটি কাঠের বা গাছ ভরতে গাড়ি থেকেই ৫০০-১০০০, ২ ০০০,হাজার ৫ হাজার এমনকি ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন বিট অফিসাররা। না দিতে চাইলেই, গাড়ি আটকে দেন। অবৈধ কোন মাল না থাকার শর্তেও নানান তালবাহানা করে মামলা দেওয়ার ভয় দেখান। এ ছাড়াও স্থানীয়রা বলেন, নিয়ম নীতিমালা অনুসারে কোন গাড়ি তারা চেক করেন না ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেন। এই অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই জরুরী।
বিষয় : টাঙ্গাইল বিট অফিসার ঘুষ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই বিট অফিসের কর্মচারী বিট কর্মকর্তা আবুল সিদ্দিকের কথায় চা খাওয়ার জন্য গাছ ভর্তি এক গাড়ির ড্রাইভার এর কাছ থেকে ৫২০ টাকা ঘুষ নেন। ভিডিওটি ধারণ করেন একাধিক সংবাদ কর্মী। জিজ্ঞেস করলে বলা হয় চা খাওয়ার জন্য নিয়েছে। এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া সহ এলাকায় চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে বিট অফিসার সিদ্দিক ঘটনাটিকে স্বীকার করলেও নিজেকে দায় থেকে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন যিনি নিয়েছেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু ভিডিওটিতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে বিট অফিসার আবু সিদ্দিকের কথাতেই ঘুষ নেয়া হয়েছে। এমনটাই বলেন টাকা জিনি নেন সেই ব্যক্তি। টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ডঃ মহসিন বলেন, আমি তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
আরও পড়ুন, মুকসুদপুরের জলিরপাড়ে গ্রামীণফোন কাস্টমার পয়েন্ট উদ্বোধন
তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, শুধু একটি কাঠের গাড়ি নয় প্রত্যেকটি কাঠের বা গাছ ভরতে গাড়ি থেকেই ৫০০-১০০০, ২ ০০০,হাজার ৫ হাজার এমনকি ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেন বিট অফিসাররা। না দিতে চাইলেই, গাড়ি আটকে দেন। অবৈধ কোন মাল না থাকার শর্তেও নানান তালবাহানা করে মামলা দেওয়ার ভয় দেখান। এ ছাড়াও স্থানীয়রা বলেন, নিয়ম নীতিমালা অনুসারে কোন গাড়ি তারা চেক করেন না ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেন। এই অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুবই জরুরী।

আপনার মতামত লিখুন