গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় কালীবাড়ি বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ি বাজারে এ সমাবেশ হয়।ঘটনার পর কালীবাড়ি মুরগি হাটি এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পলাশবাড়ী উপজেলা হাটবাজার ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি শাহজাহান সরকার।সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু এতে বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহিদ মুন্সি, পলাশবাড়ী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর শাখার সহসভাপতি জয়নাল মাস্টার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন হযরত আলী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার, বিশিষ্ট মসলা ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান, ব্যবসায়ী সুমন এবং ইজারাদারের পক্ষে সোলাইমানসহ অন্যরা।
বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান তারা। এর আগে ব্যবসায়ীরা প্রায় এক ঘণ্টা দোকানপাট বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন। পরে অপরাধীর শাস্তির দাবিতে একটি মিছিল হাটের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আরও পড়ুন, দুর্নীতি আমাদের চরিত্র নয়, ঢাকা-১৫ আসনে বললেন: ডা. শফিকুর রহমান
উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটিতে মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে এ ঘটনা ঘটে। সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ধারাই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী সহোদয় সুমন ও মিলনের সঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রেজাউলের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে রেজাউল ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। আহত রেজাউলকে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় কালীবাড়ি বাজারে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ি বাজারে এ সমাবেশ হয়।ঘটনার পর কালীবাড়ি মুরগি হাটি এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দেয়। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পলাশবাড়ী উপজেলা হাটবাজার ব্যবসায়ী সমিতির আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি শাহজাহান সরকার।সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজু এতে বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহিদ মুন্সি, পলাশবাড়ী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পৌর শাখার সহসভাপতি জয়নাল মাস্টার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সরোয়ার হোসেন হযরত আলী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার, বিশিষ্ট মসলা ব্যবসায়ী আব্দুল হান্নান, ব্যবসায়ী সুমন এবং ইজারাদারের পক্ষে সোলাইমানসহ অন্যরা।
বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান তারা। এর আগে ব্যবসায়ীরা প্রায় এক ঘণ্টা দোকানপাট বন্ধ রেখে বিক্ষোভ করেন। পরে অপরাধীর শাস্তির দাবিতে একটি মিছিল হাটের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
আরও পড়ুন, দুর্নীতি আমাদের চরিত্র নয়, ঢাকা-১৫ আসনে বললেন: ডা. শফিকুর রহমান
উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পলাশবাড়ী পৌরসভার কালীবাড়ি বাজারের মুরগি হাটিতে মুরগির খাঁচা রাখাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে এ ঘটনা ঘটে। সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ধারাই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে মুরগি ব্যবসায়ী সহোদয় সুমন ও মিলনের সঙ্গে পলাশবাড়ী পৌরশহরের গৃধারীপুর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে রেজাউলের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে রেজাউল ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন। আহত রেজাউলকে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন