রাজধানীর ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীতে এক স্কুল শিক্ষার্থীসহ দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।মরদেহ দুইটি হলো ওয়ারী থেকে উদ্ধার হওয়া চা দোকানের কর্মচারী মানিকের (২৬) ও যাত্রাবাড়ীর স্কুল শিক্ষার্থী মো. রনির (১০)। মানিকের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাকশিলা সরকার বাড়ি। বাবার নাম ইউনুস সরকার (মৃত)। বর্তমানে ওয়ারী বিসিসি রোড ৩৪/১ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকতেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ওই বাসায় ফ্যানের সঙ্গে মাফলার পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় মানিকের।
আরো পড়ুন , ঢাকা মেট্রোপলিটনে ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযানে গ্রেপ্তার ১১
পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে তিনি গলায় ফাঁসি দিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।যাত্রাবাড়ী ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রনি। তার বাবা নুর আলম জানান, তাদের বাড়ি নোয়াখালী চাটখিল থানার শিবপুর এলাকায়। বর্তমানে যাত্রাবাড়ী পুবাইল এলাকায় নান্নু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকত। পড়ালেখায় ফাঁকি দেওয়ায় বাবা মা তাকে সামান্য বকাঝকা করেন। এ কারণে অভিমান করে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাথরুমে ঢুকে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও সে বের হচ্ছিল না। সন্দেহ হলে ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে দেখা যায়, বাথরুমের ভেতর গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে। তখন দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। কিন্তু চিকিৎসক মধ্য রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয় : ঝুলন্ত মরদেহ স্কুল শিক্ষার্থী

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ীতে এক স্কুল শিক্ষার্থীসহ দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।মরদেহ দুইটি হলো ওয়ারী থেকে উদ্ধার হওয়া চা দোকানের কর্মচারী মানিকের (২৬) ও যাত্রাবাড়ীর স্কুল শিক্ষার্থী মো. রনির (১০)। মানিকের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাকশিলা সরকার বাড়ি। বাবার নাম ইউনুস সরকার (মৃত)। বর্তমানে ওয়ারী বিসিসি রোড ৩৪/১ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলায় থাকতেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ওই বাসায় ফ্যানের সঙ্গে মাফলার পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় মানিকের।
আরো পড়ুন , ঢাকা মেট্রোপলিটনে ডেভিল হান্ট ফেজ-২ অভিযানে গ্রেপ্তার ১১
পারিবারিক মনোমালিন্যের কারণে তিনি গলায় ফাঁসি দিয়া আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।যাত্রাবাড়ী ধোলাইপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রনি। তার বাবা নুর আলম জানান, তাদের বাড়ি নোয়াখালী চাটখিল থানার শিবপুর এলাকায়। বর্তমানে যাত্রাবাড়ী পুবাইল এলাকায় নান্নু মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকত। পড়ালেখায় ফাঁকি দেওয়ায় বাবা মা তাকে সামান্য বকাঝকা করেন। এ কারণে অভিমান করে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাথরুমে ঢুকে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও সে বের হচ্ছিল না। সন্দেহ হলে ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে দেখা যায়, বাথরুমের ভেতর গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে। তখন দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেলে আনা হয়। কিন্তু চিকিৎসক মধ্য রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন