ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যেই সহিংসতায় রূপ নিয়েছে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা। ১০ দলীয় ঐক্য জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম-এর ওপর হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ সকালে খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকার নূরপাড়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী কর্মসূচি চলাকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ করে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।হামলার পেছনে কারা, সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন ৪৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার মোল্লা। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দলবল নিয়ে তারা এই হামলা চালান নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী মাঠ থেকে প্রতিপক্ষকে সরিয়ে দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আতঙ্ক হামলার সময় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছাত্র, শিক্ষক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ হামলায় তারা দিগ্বিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। হামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরকতউল্লাহ, তার বড় ভাই হেদায়েতুল্লাহসহ মোট ১২ জন আহত হন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতদের তালিকা আহতদের মধ্যে রয়েছেন বরকতউল্লাহ, হেদায়েতুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, রিয়াজুল হোসেন, মাসুম আলম, আজিম হোসেন, ইউনুস মিয়া, শাব্বির ও বাবলু।সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঘটনার পর গতকাল দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এক সংবাদ সম্মেলনে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নেতারা বলেন, এই হামলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় নির্বাচন ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিরাপত্তা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আরিফুল ইসলাম আদিব, আরিফুর রহমান তুমিন, নেয়ামাতুল্লাহ আল হাদী ও মোঃ আমিন। বক্তারা একবাক্যে দিদার মোল্লার গ্রেফতার, তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এবং বিএনপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ! এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বক্তারা। তারা বলেন, নির্বাচনী এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাদের দাবি নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়বে। শেষ কথা এই ঘটনায় ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ এখন থমথমে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ভয় ও অনিশ্চয়তা। রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
বিষয় : কর্মসূচি আহত প্রতিযোগিতা এনসিপি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী উত্তাপের মধ্যেই সহিংসতায় রূপ নিয়েছে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা। ১০ দলীয় ঐক্য জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম-এর ওপর হামলার ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ সকালে খিলক্ষেতের ডুমনি এলাকার নূরপাড়া আলিম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী কর্মসূচি চলাকালে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কর্মসূচি শুরুর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ করে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।হামলার পেছনে কারা, সংবাদ সম্মেলন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার নেতৃত্বে ছিলেন ৪৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার মোল্লা। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী দলবল নিয়ে তারা এই হামলা চালান নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী মাঠ থেকে প্রতিপক্ষকে সরিয়ে দিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আতঙ্ক হামলার সময় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছাত্র, শিক্ষক ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ হামলায় তারা দিগ্বিদিক ছুটোছুটি শুরু করেন। এতে স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। হামলায় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরকতউল্লাহ, তার বড় ভাই হেদায়েতুল্লাহসহ মোট ১২ জন আহত হন। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতদের তালিকা আহতদের মধ্যে রয়েছেন বরকতউল্লাহ, হেদায়েতুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, রিয়াজুল হোসেন, মাসুম আলম, আজিম হোসেন, ইউনুস মিয়া, শাব্বির ও বাবলু।সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঘটনার পর গতকাল দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে এক সংবাদ সম্মেলনে ১০ দলীয় ঐক্য জোটের নেতারা বলেন, এই হামলা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় নির্বাচন ও শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিরাপত্তা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আরিফুল ইসলাম আদিব, আরিফুর রহমান তুমিন, নেয়ামাতুল্লাহ আল হাদী ও মোঃ আমিন। বক্তারা একবাক্যে দিদার মোল্লার গ্রেফতার, তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এবং বিএনপি থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ! এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বক্তারা। তারা বলেন, নির্বাচনী এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাদের দাবি নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়বে। শেষ কথা এই ঘটনায় ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ এখন থমথমে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ভয় ও অনিশ্চয়তা। রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন