কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার দেশের আসল অঞ্চল পেকুয়ার মগনামার সাথে সী পথে যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে নতুন দিগন্তের সূচনা করা হয়েছে। পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া নৌ রুটে আধুনিক ও নিরাপদ সি-ট্রাক চালুর মাধ্যমে দ্বীপটির যাতায়াতে ক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন এসেছে। এতে নৌপথে যাত্রীরা আসা যাওয়ার পাশাপাশি নানান কর্মসংস্থারের সৃষ্টি, পর্যটন , বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ নানান কিছুতে পরিবর্তন আসবে বলে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে মগনামাুকুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। যাতায়াতের ক্ষেত্রে নানান সুযোগ সুবিধা হওয়াতে দ্বীপবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে প্রকৃতির খেলা চলে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা কুতুবদিয়া উপজেলার আয়তন প্রায় ২১৬ বর্গকিলোমিটার। প্রায় দুই লাখধীক মানুষের বসবাস রয়েছে এই দ্বীপে। এই দ্বীপের মানুষ প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছেন। প্রতি বছর বর্ষাকালে বিধবা বাম। তাদের উপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় জলজলোচ্ছ্বাস হারিকেনসহ নানান দুর্যোগ। এদিকে কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা হল কাঠের নৌকা, ট্রলার, ড্যানিশ বোট ও স্পিডবোট প্রভৃতি। প্রতিকূল আবহাওয়ায় এসব নৌযানে যাতায়াতের বেলায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হত হাজার হাজার দ্বীপবাসীকে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরেই মগনামা-কুতুবদিয়া রুটে নিরাপদ ও আধুনিক নৌযান চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন দ্বীপবাসী।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ডোবা ভরাটের অভিযোগে জরিমানা
অবশেষে সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। পেকুয়ার মগনামা ঘাটই বড়ঘোপ ঘাটসহ কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ স্থান। প্রতিদিন প্রায় চার পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তাল কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপবাসীর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পর্যটকরা এই পথে দিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে সাগর উত্তাল থাকায় এই নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করতে থাকে দ্বীপবাসী । অবশেষে সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। উদ্বোধন শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সি-ট্রাকে করে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ায় যান।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার দেশের আসল অঞ্চল পেকুয়ার মগনামার সাথে সী পথে যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে নতুন দিগন্তের সূচনা করা হয়েছে। পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়া নৌ রুটে আধুনিক ও নিরাপদ সি-ট্রাক চালুর মাধ্যমে দ্বীপটির যাতায়াতে ক্ষেত্রে আমুল পরিবর্তন এসেছে। এতে নৌপথে যাত্রীরা আসা যাওয়ার পাশাপাশি নানান কর্মসংস্থারের সৃষ্টি, পর্যটন , বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ নানান কিছুতে পরিবর্তন আসবে বলে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে মগনামাুকুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। যাতায়াতের ক্ষেত্রে নানান সুযোগ সুবিধা হওয়াতে দ্বীপবাসীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানাগেছে প্রকৃতির খেলা চলে বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা কুতুবদিয়া উপজেলার আয়তন প্রায় ২১৬ বর্গকিলোমিটার। প্রায় দুই লাখধীক মানুষের বসবাস রয়েছে এই দ্বীপে। এই দ্বীপের মানুষ প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছেন। প্রতি বছর বর্ষাকালে বিধবা বাম। তাদের উপর দিয়ে বয়ে যায় ঘূর্ণিঝড় জলজলোচ্ছ্বাস হারিকেনসহ নানান দুর্যোগ। এদিকে কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা হল কাঠের নৌকা, ট্রলার, ড্যানিশ বোট ও স্পিডবোট প্রভৃতি। প্রতিকূল আবহাওয়ায় এসব নৌযানে যাতায়াতের বেলায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হত হাজার হাজার দ্বীপবাসীকে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন ধরেই মগনামা-কুতুবদিয়া রুটে নিরাপদ ও আধুনিক নৌযান চালুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন দ্বীপবাসী।
আরও পড়ুন, দুপচাঁচিয়ায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে ডোবা ভরাটের অভিযোগে জরিমানা
অবশেষে সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। পেকুয়ার মগনামা ঘাটই বড়ঘোপ ঘাটসহ কুতুবদিয়ার সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ স্থান। প্রতিদিন প্রায় চার পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ উত্তাল কুতুবদিয়া চ্যানেল পাড়ি দিয়ে দ্বীপবাসীর পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পর্যটকরা এই পথে দিয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে সাগর উত্তাল থাকায় এই নৌপথ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় চলাচল করতে থাকে দ্বীপবাসী । অবশেষে সি-ট্রাক চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। উদ্বোধন শেষে নৌপরিবহন উপদেষ্টা সি-ট্রাকে করে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ায় যান।

আপনার মতামত লিখুন