দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী

গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী
গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী

গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী হিসেবে পরিনত হয়েছে। যেন দেখেও না দেখার মতো চুপচাপ বসে আছে প্রশাসন। কারণ ভ্যাট  অফিসার, ও বিভিন্ন পরিদর্শক প্রশাসনের সাথে লিয়াজো করে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে থাকেন। এতে করে তাদের অফিসে কে বা অভিযান করবে।যার কারণে নির্বিঘ্নে প্রত্যেকটির টেবিলে টেবিলে ঘুষ বাণিজ্যের রাজধানী হিসেবে পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্র জানা যায়,  পাঁচ তলার পাঁচটি সার্কেলের প্রত্যেকটা সার্কেলে রয়েছে  পরিদর্শক। প্রত্যেকটি পরিদর্শক  নির্বিঘ্নে ঘুষ নিচ্ছেন। আবার কথিত আছে বিভিন্ন  রাজনৈতিক ব্যক্তিও নাকি তাদেরকে সেল্টার দেন। রয়েছে উপর মহলের বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা।  বিভিন্ন সময়ে তাদের নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ হলেও তাদের পরিবর্তন অথবা কখনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন, গাইবান্ধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান

আরো জানা যায়, গাজীপুরে বেশি সংখ্যক ইটভাটা  অবৈধ। অবৈধ থাকার কারণে বেশি সংখ্যক ভ্যাট   অফিসারদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিচ্ছেন। যার কয়েকটা ইটভাটায় গেলে  প্রকাশ্যে তার নমুনাও পাওয়া যায়। সাংবাদিকদের দেখে  নানান বাহানা করে পালাতে থাকেন অফিসাররা। কথার প্রসঙ্গে  এক ভ্যাট পরিদর্শক বলেন, ভাই আমাদের কোন সমস্যা নেই। আমরা উপরমহল থেকে নিচ পর্যন্ত সব সমন্বয় করে চলি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পিয়ন বলেন, প্রত্যেকটি টাকা পরিদর্শক থেকে শুরু করে, কমিশনার, প্রয়োজনে সচিবালয় পর্যন্ত যায়। যার কারনে নির্বিঘ্নে ঘুষ আদান প্রদান হচ্ছে। প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ঘুষ না দিলেই হয়রানি তো পড়তে হয় সাধারণ সেবা গ্রহীতাদের। কাগজপত্র সব ঠিকঠাক থাকার পরও  ঘুষ লাগবেই।যার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণদের। এ ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

বিষয় : গাজীপুর পরিদর্শক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬


গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

গাজীপুরে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাটে ঘুষের রাজধানী হিসেবে পরিনত হয়েছে। যেন দেখেও না দেখার মতো চুপচাপ বসে আছে প্রশাসন। কারণ ভ্যাট  অফিসার, ও বিভিন্ন পরিদর্শক প্রশাসনের সাথে লিয়াজো করে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে থাকেন। এতে করে তাদের অফিসে কে বা অভিযান করবে।যার কারণে নির্বিঘ্নে প্রত্যেকটির টেবিলে টেবিলে ঘুষ বাণিজ্যের রাজধানী হিসেবে পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্র জানা যায়,  পাঁচ তলার পাঁচটি সার্কেলের প্রত্যেকটা সার্কেলে রয়েছে  পরিদর্শক। প্রত্যেকটি পরিদর্শক  নির্বিঘ্নে ঘুষ নিচ্ছেন। আবার কথিত আছে বিভিন্ন  রাজনৈতিক ব্যক্তিও নাকি তাদেরকে সেল্টার দেন। রয়েছে উপর মহলের বেশি সংখ্যক কর্মকর্তা।  বিভিন্ন সময়ে তাদের নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ হলেও তাদের পরিবর্তন অথবা কখনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

আরও পড়ুন, গাইবান্ধাকে অগ্রাধিকার দিয়ে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান

আরো জানা যায়, গাজীপুরে বেশি সংখ্যক ইটভাটা  অবৈধ। অবৈধ থাকার কারণে বেশি সংখ্যক ভ্যাট   অফিসারদেরকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ দিচ্ছেন। যার কয়েকটা ইটভাটায় গেলে  প্রকাশ্যে তার নমুনাও পাওয়া যায়। সাংবাদিকদের দেখে  নানান বাহানা করে পালাতে থাকেন অফিসাররা। কথার প্রসঙ্গে  এক ভ্যাট পরিদর্শক বলেন, ভাই আমাদের কোন সমস্যা নেই। আমরা উপরমহল থেকে নিচ পর্যন্ত সব সমন্বয় করে চলি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পিয়ন বলেন, প্রত্যেকটি টাকা পরিদর্শক থেকে শুরু করে, কমিশনার, প্রয়োজনে সচিবালয় পর্যন্ত যায়। যার কারনে নির্বিঘ্নে ঘুষ আদান প্রদান হচ্ছে। প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ঘুষ না দিলেই হয়রানি তো পড়তে হয় সাধারণ সেবা গ্রহীতাদের। কাগজপত্র সব ঠিকঠাক থাকার পরও  ঘুষ লাগবেই।যার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণদের। এ ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত