আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রংপুর-১ (গংগাচড়া ) আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, ও জাতীয় পার্টি, বিএনপির প্রার্থীদের ঘিরেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠছে। মাঠপর্যায়ের প্রচারণা, সাংগঠনিক শক্তি ও ভোটার সমর্থনের হিসাব নিকাশে আসনটি এখন স্থানীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন রায়হান সিরাজী । তিনি দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জোরালো গণসংযোগ চালাচ্ছেন। একসময় এ আসনটি জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় এই আসনে দলটির দাপট ছিল স্পষ্ট। এবার জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী।
অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মোকাররম হোসেন সুজন । তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনিও সমানতালে মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল লড়াই হবে জাপা ও জামায়াত, বিএনপির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা বেশি। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রায়হান সিরাজী বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনে মানুষ নিপীড়িত হয়েছে। ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আমরা মানুষের কাছে যাচ্ছি। জনগণের সমর্থন আমাদের পক্ষে রয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী বলেন, লাঙ্গল এই এলাকার মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক।
আরও পড়ুন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকতে হবে: আবদুল আল ফারুক
রংপুর-১ আসনের উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন বলেন, মানুষ এখন বিভ্রান্তির রাজনীতি বুঝতে পারছে। ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিজয় নিশ্চিত। উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী । তবে মাঠের বাস্তবতায় জামায়াত ও জাতীয় পার্টি, বিএনপি মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটারা।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রংপুর-১ (গংগাচড়া ) আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, ও জাতীয় পার্টি, বিএনপির প্রার্থীদের ঘিরেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠছে। মাঠপর্যায়ের প্রচারণা, সাংগঠনিক শক্তি ও ভোটার সমর্থনের হিসাব নিকাশে আসনটি এখন স্থানীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন রায়হান সিরাজী । তিনি দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জোরালো গণসংযোগ চালাচ্ছেন। একসময় এ আসনটি জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় এই আসনে দলটির দাপট ছিল স্পষ্ট। এবার জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী।
অন্যদিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন মোকাররম হোসেন সুজন । তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনিও সমানতালে মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল লড়াই হবে জাপা ও জামায়াত, বিএনপির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা বেশি। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রায়হান সিরাজী বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃশাসনে মানুষ নিপীড়িত হয়েছে। ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে আমরা মানুষের কাছে যাচ্ছি। জনগণের সমর্থন আমাদের পক্ষে রয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী বলেন, লাঙ্গল এই এলাকার মানুষের ঐতিহ্যবাহী প্রতীক।
আরও পড়ুন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকতে হবে: আবদুল আল ফারুক
রংপুর-১ আসনের উন্নয়নমূলক কাজের স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাই। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন বলেন, মানুষ এখন বিভ্রান্তির রাজনীতি বুঝতে পারছে। ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বিজয় নিশ্চিত। উল্লেখ্য, এ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী । তবে মাঠের বাস্তবতায় জামায়াত ও জাতীয় পার্টি, বিএনপি মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটারা।

আপনার মতামত লিখুন