মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাচখোলা এলাকায় শাশুড়ী ও জামাইয়ের অনৈতিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে পশ্চিম পাচখোলা এলাকার আউয়াল মাতুব্বরের ছেলে পিকআপ ট্রাকচালক রাহুল মাতুব্বরের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই এলাকার প্রবাসী মনির মাতুব্বরের মেয়ে তামান্নার। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় তামান্নার মা হোসনেয়ারার জামাই বাড়িতে যাতায়াত ছিল নিয়মিত। একপর্যায়ে জামাই রাহুল মাতুব্বর ও শাশুড়ী হোসনেয়ারার মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রাহুল মাতুব্বর তার শাশুড়ীকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। আজ তারা পুনরায় নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এ সময় রাহুল তার স্ত্রী তামান্না ও শাশুড়ী হোসনেয়ারাকে একই ঘরে থাকতে বাধ্য করলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয় এবং ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামীর সঙ্গে মাকে একসঙ্গে ফিরে আসতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তামান্না।
আরও পড়ুন, ভেড়ামারায় বীজের মান ও বাজার তদারকিতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় মুরুব্বিরা আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন। তারা আরও জানান, তামান্নার বাবা প্রবাসী মনির মাতুব্বর ঘটনার খবর পেয়ে তিন দিন আগে দেশে ফিরে এসেছেন। দীর্ঘদিন প্রবাসে অর্জিত তার আয় স্ত্রী হোসনেয়ারার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হতো, যার কারণে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। বর্তমানে স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মা ও মেয়েকে একই ঘরে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
মাদারীপুর সদর উপজেলার পাচখোলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পাচখোলা এলাকায় শাশুড়ী ও জামাইয়ের অনৈতিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে পশ্চিম পাচখোলা এলাকার আউয়াল মাতুব্বরের ছেলে পিকআপ ট্রাকচালক রাহুল মাতুব্বরের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই এলাকার প্রবাসী মনির মাতুব্বরের মেয়ে তামান্নার। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় তামান্নার মা হোসনেয়ারার জামাই বাড়িতে যাতায়াত ছিল নিয়মিত। একপর্যায়ে জামাই রাহুল মাতুব্বর ও শাশুড়ী হোসনেয়ারার মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রাহুল মাতুব্বর তার শাশুড়ীকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। আজ তারা পুনরায় নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। এ সময় রাহুল তার স্ত্রী তামান্না ও শাশুড়ী হোসনেয়ারাকে একই ঘরে থাকতে বাধ্য করলে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয় এবং ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামীর সঙ্গে মাকে একসঙ্গে ফিরে আসতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তামান্না।
আরও পড়ুন, ভেড়ামারায় বীজের মান ও বাজার তদারকিতে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় মুরুব্বিরা আলোচনায় বসার চেষ্টা করছেন। তারা আরও জানান, তামান্নার বাবা প্রবাসী মনির মাতুব্বর ঘটনার খবর পেয়ে তিন দিন আগে দেশে ফিরে এসেছেন। দীর্ঘদিন প্রবাসে অর্জিত তার আয় স্ত্রী হোসনেয়ারার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হতো, যার কারণে তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। বর্তমানে স্থানীয়দের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মা ও মেয়েকে একই ঘরে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তীব্র সমালোচনা ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন