দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমবায় আওয়ামীপন্থীরা এখনো বহাল, বিপাকে কর্মকর্তা কর্মচারীরা

বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমবায় আওয়ামীপন্থীরা এখনো বহাল, বিপাকে কর্মকর্তা কর্মচারীরা
বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমবায় আওয়ামীপন্থীরা এখনো বহাল

স্থানীয় সরকার  পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের  বিভিন্ন হেভিওয়েট পোস্টে  ও সমবায় ভবন ও ঢাকা বিভাগীয় অফিসের  বিভিন্ন হেভিওয়েট পোস্টে  এখনো বহাল আছেন আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তারা। যার কারনে বিপাকে সাধারন কর্মচারীরা। আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তাদের  একতরফা চিন্তা ভাবনার কারণে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৭ বছর  ঢাকার ভেতরে পোস্টিং হয়নি একটি শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্মচারীদের। যারা বেশি সংখ্যাকে জাতীয়বাদী চেতনায় বিশ্বাসী। কর্মচারীদের  সংগঠন সচেতনায় বিশ্বাস করেই চলমান। সে কমিটি অনুমোদন নিয়েও চলছে নানান তালবাহানা। 

তথ্যসূত্র জানা যায়, বিভাগীয় প্রধান  কামরুজ্জামানসহ  সমবায় ভবনের একাধিক কর্মকর্তারা  জুলাই আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে  নানান ধরনের লবিং এর মাধ্যমে তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কেউ কি আবার সরাসরি  জামায়াতের নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। বাহিরে জামায়াত দেখালেও ভিতরে তাদের এখনো আওমীপন্থী চিন্তাভাবনা। তাদের ইচ্ছার কারণে  নির্যাতিত কর্মচারীরা এখনো বদলে হয়ে আসতে পারছে না ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অফিসে। বদলি সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে, সচিবালয়ে, সমবায় ভবনের প্রধান কর্মকর্তার কাছেও বারবার বললেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তাদের ইচ্ছামতো তাদের পছন্দের ব্যক্তিদেরকেই তারা  ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অফিসে রাখছেন। যা সম্পূর্ণ স্বৈরাচারী কায়দা। নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামনে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মচারীরা। 

আরও পড়ুন, আওয়ামী লীগ আসামিরা ঘুরে বেড়ালেও গ্রেফতার করছে না জিএমপি

একাধিক কর্মচারীরা সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সমবায়ের মহাপরিচালকের বরাবর বারংবার বললেও তিনিও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি যা সব চাইতে দুঃখজনক। এছাড়াও  ফিল্ট পর্যায়ের মতোই  সমবায় ভবনা এখন ঘুষের রাজ্য পরিণত হয়েছে  হয়েছে বলে মন্তব্য করেন একাধিক সচেতন ব্যক্তি। তারা আরো বলেন, বর্তমানে যত কর্মকর্তা রয়েছে  তাদের সকলকে  বিশেষ করে  ঢাকা বিভাগীয় প্রধান  কে সরিয়ে অন্য কর্মকর্তাকে  দায়িত্ব দিলে হয়তো পূর্বের  সমাধান হওয়া সম্ভব। আর এই বেপরোয়া কর্মকর্তাকে কেউ কিছু না বলার কারণেই তিনি তার মন মর্জি করেই সমবায় চালাচ্ছেন।

বিষয় : সমবায় আওয়ামীপন্থী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সমবায় আওয়ামীপন্থীরা এখনো বহাল, বিপাকে কর্মকর্তা কর্মচারীরা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

স্থানীয় সরকার  পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের  বিভিন্ন হেভিওয়েট পোস্টে  ও সমবায় ভবন ও ঢাকা বিভাগীয় অফিসের  বিভিন্ন হেভিওয়েট পোস্টে  এখনো বহাল আছেন আওয়ামী পন্থী কর্মকর্তারা। যার কারনে বিপাকে সাধারন কর্মচারীরা। আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তাদের  একতরফা চিন্তা ভাবনার কারণে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৭ বছর  ঢাকার ভেতরে পোস্টিং হয়নি একটি শ্রেণীর কর্মকর্তা কর্মচারীদের। যারা বেশি সংখ্যাকে জাতীয়বাদী চেতনায় বিশ্বাসী। কর্মচারীদের  সংগঠন সচেতনায় বিশ্বাস করেই চলমান। সে কমিটি অনুমোদন নিয়েও চলছে নানান তালবাহানা। 

তথ্যসূত্র জানা যায়, বিভাগীয় প্রধান  কামরুজ্জামানসহ  সমবায় ভবনের একাধিক কর্মকর্তারা  জুলাই আগস্ট এর গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে  নানান ধরনের লবিং এর মাধ্যমে তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। কেউ কি আবার সরাসরি  জামায়াতের নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। বাহিরে জামায়াত দেখালেও ভিতরে তাদের এখনো আওমীপন্থী চিন্তাভাবনা। তাদের ইচ্ছার কারণে  নির্যাতিত কর্মচারীরা এখনো বদলে হয়ে আসতে পারছে না ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অফিসে। বদলি সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে, সচিবালয়ে, সমবায় ভবনের প্রধান কর্মকর্তার কাছেও বারবার বললেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। তাদের ইচ্ছামতো তাদের পছন্দের ব্যক্তিদেরকেই তারা  ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন অফিসে রাখছেন। যা সম্পূর্ণ স্বৈরাচারী কায়দা। নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামনে আন্দোলন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কর্মচারীরা। 

আরও পড়ুন, আওয়ামী লীগ আসামিরা ঘুরে বেড়ালেও গ্রেফতার করছে না জিএমপি

একাধিক কর্মচারীরা সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান সমবায়ের মহাপরিচালকের বরাবর বারংবার বললেও তিনিও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি যা সব চাইতে দুঃখজনক। এছাড়াও  ফিল্ট পর্যায়ের মতোই  সমবায় ভবনা এখন ঘুষের রাজ্য পরিণত হয়েছে  হয়েছে বলে মন্তব্য করেন একাধিক সচেতন ব্যক্তি। তারা আরো বলেন, বর্তমানে যত কর্মকর্তা রয়েছে  তাদের সকলকে  বিশেষ করে  ঢাকা বিভাগীয় প্রধান  কে সরিয়ে অন্য কর্মকর্তাকে  দায়িত্ব দিলে হয়তো পূর্বের  সমাধান হওয়া সম্ভব। আর এই বেপরোয়া কর্মকর্তাকে কেউ কিছু না বলার কারণেই তিনি তার মন মর্জি করেই সমবায় চালাচ্ছেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত