দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬

লালপুরে পিজি গ্যাস সংকট

লালপুরে পিজি গ্যাস সংকট
লালপুরে পিজি গ্যাস সংকট

নাটোরের লালপুর উপজেলার বাজার গুলিতে মিলছে না এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। দোকানে দোকানে হন্য হয়ে ঘুরেও গ্যাস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। অনেক বেশি দামে গোপনে এলপি গ্যাস কিনতে পারলে ও তা যথেষ্ট নয়। হঠাৎ করেই বাজার থেকে  এলপি গ্যাস উধাও হয়ে যাওয়ায় ডিলার ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বেশি লাভের আশায় কৃত্তিম সংকট তৈরির অভিযোগ  তুলেছেন ভোক্তারা। তাদের ধারণা কোম্পানির ডিলার ও ব্যবসায়ীরা মিলে সিন্ডিকেট করে গ্যাসের কৃএিম  সংকট তৈরি করছেন।  এই সিন্ডিকেট করে গ্যাসের কৃএিম সংকট তৈরি করেছেন এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারলে বাজারে গ্যাস পাওয়া যাবে বলে তাদের বিশ্বাস। 

অপরদিকে সিন্ডিকেট করে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগ অস্বীকার করে ডিলার ও ব্যবসায়ীরা জানান কোম্পানি গুলো চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দিতে পারছে না। ডিলারদের বিদেশ থেকে তরল গ্যাস না আসার কারণে নাকি কোম্পানি গুলো এলপি সিলিন্ডার গ্যাস বাজার জাত করতে পারছেন না। বিভিন্ন বাজারে ব্যবসারীরা জানান বাজার গুলোতে, যমুনা, টোটাল, ইউনিক, বসুন্ধরা, ডেলটা, ফ্রেশ, ইউনিট, পেট্রোমেক্স, জি গ্যাস ও হোমেরা নামে গ্যাস সিলিন্ডার এতদিন কিনা বেচা হতো। কিন্তু হঠাৎ করেই এইসব  গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো। কয়েক মাস আগে থেকে অনেক কোম্পানি ডিলারদের কাছে পিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এখন কিছু  গ্যাস সিলিন্ডার বন্ধ  না হলেও সরবরাহ কম। এছাড়া পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াই  ডিলাররা খুচরা দোকানে সিলিন্ডার সরবরাহ পড়তে পারছে না। ফলে বাজারে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। ভোক্তাদের অনেকে মনে করছেন উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ১ পৌরসভা একসঙ্গে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার সংকট দেখা দাওয়াই বিষয়টি আরো স্বাভাবিক  সংকট নয় বরণ পরিকল্পিত কারসাজি। 

ভুক্তভোগী কামাল হোসেন জানান বাজার গুলিতে বেশিভাগ দোকানে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না দিনের পর দিন কেতারা দোকানে ঘুরে ঘুরে শুনছেন গ্যাস নাই সাপ্লাই বন্ধ কবে গ্যাস আসবে তারা জানে না এভাবে চলছে বেশি দিন ধরে। কলস নগর গ্রামের গৃহিণী রহিমা বেগম, গোপালপুরে র হাসিনা ও লালপুরের বেবি  বেগম বলেন গ্যাস সংকটের কারণে রান্নায় বিঘ্ন  ঘটছে তাই কেউ বাধ্য হয়ে মাটির চুলা জ্বালাচ্ছেনকাঠ খড়ি সংগ্রহ করে। আধুনিক এলাকার মানুষ ফিরে যাচ্ছে আদিম ব্যবস্থার যা অত্যন্ত লজ্জা জনক। একজন ভুক্তভোগী ইমরান জানান গ্যাস নেই গ্যাস নেই বলে ঘুরাই বিক্রেতারা। 

আরও পড়ুন, দলিয়ো প্রভাবে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আবার কোথাও গ্যাস সিলিন্ডার থাকার কথা শুনে গিয়ে  দেখলাম দাম যা কিনতে ভয় লাগে। সিলিন্ডার প্রতি গ্যাস ১হাজার৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত গোপনে বিক্রি হচ্ছে উপজেলার বাজর গুলোতে। গোপালপুর বাজার গ্যাস বিক্রেতা ফিরোজ জানান সিন্ডিকেট অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা কোম্পানি থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণেবাজারে গ্যাস যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে কোন  অভিযোগ পেলে  আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিব।  কেউ গ্যাস মজুদ করলে বা গোপনে বেশি দামে বিক্রি করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হবে। 

বিষয় : নাটোর গ্যাস সিলিন্ডার

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


লালপুরে পিজি গ্যাস সংকট

প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

নাটোরের লালপুর উপজেলার বাজার গুলিতে মিলছে না এলপি গ্যাস সিলিন্ডার। দোকানে দোকানে হন্য হয়ে ঘুরেও গ্যাস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। অনেক বেশি দামে গোপনে এলপি গ্যাস কিনতে পারলে ও তা যথেষ্ট নয়। হঠাৎ করেই বাজার থেকে  এলপি গ্যাস উধাও হয়ে যাওয়ায় ডিলার ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বেশি লাভের আশায় কৃত্তিম সংকট তৈরির অভিযোগ  তুলেছেন ভোক্তারা। তাদের ধারণা কোম্পানির ডিলার ও ব্যবসায়ীরা মিলে সিন্ডিকেট করে গ্যাসের কৃএিম  সংকট তৈরি করছেন।  এই সিন্ডিকেট করে গ্যাসের কৃএিম সংকট তৈরি করেছেন এই সিন্ডিকেট ভাঙতে পারলে বাজারে গ্যাস পাওয়া যাবে বলে তাদের বিশ্বাস। 

অপরদিকে সিন্ডিকেট করে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অভিযোগ অস্বীকার করে ডিলার ও ব্যবসায়ীরা জানান কোম্পানি গুলো চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দিতে পারছে না। ডিলারদের বিদেশ থেকে তরল গ্যাস না আসার কারণে নাকি কোম্পানি গুলো এলপি সিলিন্ডার গ্যাস বাজার জাত করতে পারছেন না। বিভিন্ন বাজারে ব্যবসারীরা জানান বাজার গুলোতে, যমুনা, টোটাল, ইউনিক, বসুন্ধরা, ডেলটা, ফ্রেশ, ইউনিট, পেট্রোমেক্স, জি গ্যাস ও হোমেরা নামে গ্যাস সিলিন্ডার এতদিন কিনা বেচা হতো। কিন্তু হঠাৎ করেই এইসব  গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে কোম্পানিগুলো। কয়েক মাস আগে থেকে অনেক কোম্পানি ডিলারদের কাছে পিজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এখন কিছু  গ্যাস সিলিন্ডার বন্ধ  না হলেও সরবরাহ কম। এছাড়া পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াই  ডিলাররা খুচরা দোকানে সিলিন্ডার সরবরাহ পড়তে পারছে না। ফলে বাজারে গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। ভোক্তাদের অনেকে মনে করছেন উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ১ পৌরসভা একসঙ্গে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার সংকট দেখা দাওয়াই বিষয়টি আরো স্বাভাবিক  সংকট নয় বরণ পরিকল্পিত কারসাজি। 

ভুক্তভোগী কামাল হোসেন জানান বাজার গুলিতে বেশিভাগ দোকানে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না দিনের পর দিন কেতারা দোকানে ঘুরে ঘুরে শুনছেন গ্যাস নাই সাপ্লাই বন্ধ কবে গ্যাস আসবে তারা জানে না এভাবে চলছে বেশি দিন ধরে। কলস নগর গ্রামের গৃহিণী রহিমা বেগম, গোপালপুরে র হাসিনা ও লালপুরের বেবি  বেগম বলেন গ্যাস সংকটের কারণে রান্নায় বিঘ্ন  ঘটছে তাই কেউ বাধ্য হয়ে মাটির চুলা জ্বালাচ্ছেনকাঠ খড়ি সংগ্রহ করে। আধুনিক এলাকার মানুষ ফিরে যাচ্ছে আদিম ব্যবস্থার যা অত্যন্ত লজ্জা জনক। একজন ভুক্তভোগী ইমরান জানান গ্যাস নেই গ্যাস নেই বলে ঘুরাই বিক্রেতারা। 

আরও পড়ুন, দলিয়ো প্রভাবে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

আবার কোথাও গ্যাস সিলিন্ডার থাকার কথা শুনে গিয়ে  দেখলাম দাম যা কিনতে ভয় লাগে। সিলিন্ডার প্রতি গ্যাস ১হাজার৬০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত গোপনে বিক্রি হচ্ছে উপজেলার বাজর গুলোতে। গোপালপুর বাজার গ্যাস বিক্রেতা ফিরোজ জানান সিন্ডিকেট অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা কোম্পানি থেকে পাওয়া যাচ্ছে না। এই কারণেবাজারে গ্যাস যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে কোন  অভিযোগ পেলে  আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিব।  কেউ গ্যাস মজুদ করলে বা গোপনে বেশি দামে বিক্রি করে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না হবে। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত