দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

মানিকগঞ্জে তামাক চাষের প্রভাব কমছে মাটির উর্বরতা

মানিকগঞ্জে তামাক চাষের প্রভাব কমছে মাটির উর্বরতা
মানিকগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে তামাক চাষ

মানিকগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে তামাক চাষ। এতে জেলার তিন ফসলি কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে জমিগুলো তামাকনির্ভর হয়ে পড়ছে। একসময় যেসব জমিতে ধান, কলাই, মরিচ ও পেঁয়াজের আবাদ হতো, সেসব জমিতে এখন ব্যাপকভাবে তামাক চাষ হচ্ছে।জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই তামাকের আবাদ দেখা গেলেও ঘিওর, সাটুরিয়া ও দৌলতপুর উপজেলায় এর প্রবণতা তুলনামূলক বেশি।

 কৃষকদের অভিযোগ, সিগারেট কোম্পানিগুলোর নানা সুযোগ–সুবিধা ও আগাম সহায়তার কারণে তামাক চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এতে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জমির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তামাক চাষে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ায় তারা অন্য ফসল ছেড়ে এই ফসলে ঝুঁকছেন। 

আরো পড়ুন , টাঙ্গাইলে রেললাইন ফেটে যাওয়া ট্রেন চলাচল ব্যাহত

এক বিঘা জমিতে তামাক চাষে খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে সেই তামাক বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়।মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষক মো. মুখরেছ মোল্লা বলেন, আগে জমিতে ইরি ধান আর সরিষা করতাম। কোনো বছর লাভ হতো, কোনো বছর লোকসান। এখন তামাক চাষ করি, ঝুঁকি কম, লাভ নিশ্চিত। 

তিনি আরও বলেন, সিগারেট কোম্পানিগুলো আগেভাগেই বীজ ও সার দিয়ে দেয়, বিক্রিতেও কোনো ঝামেলা নেই। অন্য ফসলের জন্য বাজারে গেলে সময়মতো সার পাওয়া যায় না, দামও বেশি।স্থানীয়দের দাবি, শুধু একটি এলাকাতেই প্রায় দেড়শ পরিবার তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত। প্রতি বছরই এই সংখ্যা বাড়ছে। 

বিষয় : মানিকগঞ্জ তামাক কৃষিজমি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


মানিকগঞ্জে তামাক চাষের প্রভাব কমছে মাটির উর্বরতা

প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

মানিকগঞ্জে দিন দিন বাড়ছে তামাক চাষ। এতে জেলার তিন ফসলি কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে জমিগুলো তামাকনির্ভর হয়ে পড়ছে। একসময় যেসব জমিতে ধান, কলাই, মরিচ ও পেঁয়াজের আবাদ হতো, সেসব জমিতে এখন ব্যাপকভাবে তামাক চাষ হচ্ছে।জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই তামাকের আবাদ দেখা গেলেও ঘিওর, সাটুরিয়া ও দৌলতপুর উপজেলায় এর প্রবণতা তুলনামূলক বেশি।

 কৃষকদের অভিযোগ, সিগারেট কোম্পানিগুলোর নানা সুযোগ–সুবিধা ও আগাম সহায়তার কারণে তামাক চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এতে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে জমির স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা কমে যাচ্ছে।কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তামাক চাষে তুলনামূলক লাভ বেশি হওয়ায় তারা অন্য ফসল ছেড়ে এই ফসলে ঝুঁকছেন। 

আরো পড়ুন , টাঙ্গাইলে রেললাইন ফেটে যাওয়া ট্রেন চলাচল ব্যাহত

এক বিঘা জমিতে তামাক চাষে খরচ হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে সেই তামাক বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকায়।মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষক মো. মুখরেছ মোল্লা বলেন, আগে জমিতে ইরি ধান আর সরিষা করতাম। কোনো বছর লাভ হতো, কোনো বছর লোকসান। এখন তামাক চাষ করি, ঝুঁকি কম, লাভ নিশ্চিত। 

তিনি আরও বলেন, সিগারেট কোম্পানিগুলো আগেভাগেই বীজ ও সার দিয়ে দেয়, বিক্রিতেও কোনো ঝামেলা নেই। অন্য ফসলের জন্য বাজারে গেলে সময়মতো সার পাওয়া যায় না, দামও বেশি।স্থানীয়দের দাবি, শুধু একটি এলাকাতেই প্রায় দেড়শ পরিবার তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত। প্রতি বছরই এই সংখ্যা বাড়ছে। 


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত