নিখোঁজের ১৯ দিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা চকপাড়া গ্রামের বিএনপি কর্মী গোলাকাজুল ওরফে কাজলের (৩৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পদ্মা নদী থেকে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার বিপরীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আলাতুলি ইউনিয়নের মধ্যচর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে কাজলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে গোদাগাড়ী নৌ-পুলিশ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।
নিহত কাজলের বাবার নাম আলতাফ হোসেন ফিরোজ। চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে তার বাড়ি। গত ২ জানুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আওয়ামী লীগ কর্মী হাসেম। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। সেই থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
আরো পড়ুন , সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের সরকারি নয়পুকুরের মাটি রাতের আঁধারে বিক্রি
নিহত কাজলের স্ত্রী লিমা বেগম গত ৮ জানুয়ারি বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলামসহ আটজনের বিরুদ্ধে গুমের মামলা দায়ের করেন।কাজল একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন।
এদিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী নৌ-পুলিশের ওসি তৌহিদুর রহমান মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে ঘটনাস্থল থেকে জানান, বিকালে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজলের অর্ধগলিত মরদেহ হাঁটু পানিতে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ও নিহতের ভাই শওকত আলীসহ আত্মীয় স্বজন কাজলের মরদেহ শনাক্ত করেন।
তিনি জানান, মরদেহের সুরতহালে দেখা গেছে, কাজলের মুখের সামনের ও উপরের পাটির বেশ কয়েকটি দাঁত ভাঙ্গা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায় আঘাতজনিত কারণেই দাঁতগুলি ভেঙেছে। এছাড়া কোমরের নিচে বামপাশের থাইয়ের ওপর ধারাল কিছুর আঘাতের বড় ক্ষত আছে। মরদেহে বেশি পচন ধরায় সবকিছু খুঁটিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি। কাজলের মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয় : মরদেহ পদ্মায় বিএনপি কর্মী

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
নিখোঁজের ১৯ দিন পর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাগডাঙ্গা চকপাড়া গ্রামের বিএনপি কর্মী গোলাকাজুল ওরফে কাজলের (৩৬) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে পদ্মা নদী থেকে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার বিপরীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আলাতুলি ইউনিয়নের মধ্যচর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে কাজলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে গোদাগাড়ী নৌ-পুলিশ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।
নিহত কাজলের বাবার নাম আলতাফ হোসেন ফিরোজ। চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে তার বাড়ি। গত ২ জানুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় আওয়ামী লীগ কর্মী হাসেম। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। সেই থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
আরো পড়ুন , সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের সরকারি নয়পুকুরের মাটি রাতের আঁধারে বিক্রি
নিহত কাজলের স্ত্রী লিমা বেগম গত ৮ জানুয়ারি বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলামসহ আটজনের বিরুদ্ধে গুমের মামলা দায়ের করেন।কাজল একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন।
এদিকে রাজশাহীর গোদাগাড়ী নৌ-পুলিশের ওসি তৌহিদুর রহমান মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে ঘটনাস্থল থেকে জানান, বিকালে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজলের অর্ধগলিত মরদেহ হাঁটু পানিতে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ও নিহতের ভাই শওকত আলীসহ আত্মীয় স্বজন কাজলের মরদেহ শনাক্ত করেন।
তিনি জানান, মরদেহের সুরতহালে দেখা গেছে, কাজলের মুখের সামনের ও উপরের পাটির বেশ কয়েকটি দাঁত ভাঙ্গা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায় আঘাতজনিত কারণেই দাঁতগুলি ভেঙেছে। এছাড়া কোমরের নিচে বামপাশের থাইয়ের ওপর ধারাল কিছুর আঘাতের বড় ক্ষত আছে। মরদেহে বেশি পচন ধরায় সবকিছু খুঁটিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি। কাজলের মরদেহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন