জেলার প্রবেশমুখে স্থাপিত নান্দনিক স্থাপনা, পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ দিনাজপুর সরকারি কলেজ মোড়ে নতুন একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে উদ্বোধন হয়েছে ‘লিচু চত্বর’। জেলা পরিচিতির সাথে সাদৃশ্য রেখে এবং স্থানীয় লিচুকে বিশ্ব দরবারে ব্র্যান্ডিং করার উদ্দেশ্যে নির্মিত এই চত্বরটি এখন শহরের প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম চত্বরের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দিনাজপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।
চত্বরটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে তৈরি হলেও এখন এটি শুধু একটি মোড় নয়; এটি পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য জনপ্রিয় সেলফি পয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিশেষ করে রাতের আলোয় আলোকসজ্জার সৌন্দর্য কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়, যা দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের নজর কাড়ছে।দিনাজপুরে লিচু চাষের ইতিহাস প্রায় দেড়শ বছর পুরনো। জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে সদর উপজেলার মাশিমপুর গ্রামের আব্দুল হক ভারত থেকে ‘বেদানা’ লিচুর চারা আনে এবং প্রথম রোপণ করেন। বর্তমানে দিনাজপুরের লিচু জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানকার বোম্বাই, মাদ্রাজি, হাড়িয়া ও চায়না-থ্রি লিচু সারা বিশ্বের বাজারে খ্যাতি অর্জন করেছে।
আরও পড়ুন, সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর নৃশংস নির্যাতন, ছেলে গ্রেপ্তার
দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, লিচু চত্বর আমাদের জেলার ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে। এটি শুধুই স্থাপনা নয়, আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীক। চত্বরটির কারণে পূর্বের ‘সরকারি কলেজ মোড়’ এখন স্থানীয়রা ‘লিচু চত্বর’ নামেই ডাকে। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ প্রকাশ করছেন, এটি জেলার পর্যটন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
বিষয় : দিনাজপুর লিচু চত্বর

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬
জেলার প্রবেশমুখে স্থাপিত নান্দনিক স্থাপনা, পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ দিনাজপুর সরকারি কলেজ মোড়ে নতুন একটি দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে উদ্বোধন হয়েছে ‘লিচু চত্বর’। জেলা পরিচিতির সাথে সাদৃশ্য রেখে এবং স্থানীয় লিচুকে বিশ্ব দরবারে ব্র্যান্ডিং করার উদ্দেশ্যে নির্মিত এই চত্বরটি এখন শহরের প্রবেশদ্বারের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুল ইসলাম চত্বরের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও দিনাজপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।
চত্বরটি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে তৈরি হলেও এখন এটি শুধু একটি মোড় নয়; এটি পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য জনপ্রিয় সেলফি পয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিশেষ করে রাতের আলোয় আলোকসজ্জার সৌন্দর্য কয়েক গুণ বৃদ্ধি পায়, যা দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষের নজর কাড়ছে।দিনাজপুরে লিচু চাষের ইতিহাস প্রায় দেড়শ বছর পুরনো। জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে সদর উপজেলার মাশিমপুর গ্রামের আব্দুল হক ভারত থেকে ‘বেদানা’ লিচুর চারা আনে এবং প্রথম রোপণ করেন। বর্তমানে দিনাজপুরের লিচু জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। এখানকার বোম্বাই, মাদ্রাজি, হাড়িয়া ও চায়না-থ্রি লিচু সারা বিশ্বের বাজারে খ্যাতি অর্জন করেছে।
আরও পড়ুন, সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ওপর একমাত্র ছেলে ও পুত্রবধূর নৃশংস নির্যাতন, ছেলে গ্রেপ্তার
দিনাজপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, লিচু চত্বর আমাদের জেলার ঐতিহ্যকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে। এটি শুধুই স্থাপনা নয়, আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক শক্তিশালী প্রতীক। চত্বরটির কারণে পূর্বের ‘সরকারি কলেজ মোড়’ এখন স্থানীয়রা ‘লিচু চত্বর’ নামেই ডাকে। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ প্রকাশ করছেন, এটি জেলার পর্যটন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

আপনার মতামত লিখুন