মেহেরপুরে শাহিন নামের এক ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তার ইজিবাইক ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে ছিনতাইকারীরা। চালকের সাহসিকতা ও প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় তারা। আহত শাহিন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়া এলাকার মৃত সুরাত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত শাহিন জানান, সোমবার ভোরে ঢাকা থেকে আসা এক যাত্রীকে সদর উপজেলার সহগলপুর স্কুলের কাছে নামিয়ে দিয়ে তিনি মেহেরপুর শহরের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মনোহরপুর কবরস্থানের কাছে পৌঁছালে সড়কের ওপর ফেলে রাখা কলাগাছ দেখতে পান। তিনি দ্রুতগতিতে সেটি অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। প্রথমবার কলাগাছটি পার হতে পারলেও পরবর্তী ধাপে ফেলে রাখা আরেকটি কলাগাছে আটকে তার ইজিবাইকটি উল্টে যায়।
এ সময় পাশের একটি বাগান থেকে মুখোশ পরিহিত সাতজন ছিনতাইকারী তাকে টেনে নিয়ে যায়। তারা তার গায়ে থাকা চাদর ছিঁড়ে হাত বেঁধে ব্যাপক মারধর করে। একপর্যায়ে তিনজন তাকে আটকে রাখে এবং অপর চারজন ইজিবাইকটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে গাড়িটি উল্টে যাওয়ার ফলে ব্যাটারির তার ছিঁড়ে যাওয়ায় তারা ইজিবাইকটি চালু করতে ব্যর্থ হয়। পরে সুযোগ বুঝে শাহিন তার হাতের বাঁধন খুলে ফেলতে সক্ষম হন। ছিনতাইকারীদের কাছে কোনো ধারালো অস্ত্র না থাকায় তিনি সাহসিকতার সঙ্গে তিনজনের ওপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় বাকি চারজনসহ সবাই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, বগুড়ার ভোটে এবার প্রশ্ন একটাই—নাম না যোগ্যতা
পরে তিনি বাড়িতে ফোন করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
মেহেরপুরে শাহিন নামের এক ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তার ইজিবাইক ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে ছিনতাইকারীরা। চালকের সাহসিকতা ও প্রতিরোধের মুখে শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় তারা। আহত শাহিন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়া এলাকার মৃত সুরাত আলীর ছেলে। বর্তমানে তিনি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত শাহিন জানান, সোমবার ভোরে ঢাকা থেকে আসা এক যাত্রীকে সদর উপজেলার সহগলপুর স্কুলের কাছে নামিয়ে দিয়ে তিনি মেহেরপুর শহরের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মনোহরপুর কবরস্থানের কাছে পৌঁছালে সড়কের ওপর ফেলে রাখা কলাগাছ দেখতে পান। তিনি দ্রুতগতিতে সেটি অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। প্রথমবার কলাগাছটি পার হতে পারলেও পরবর্তী ধাপে ফেলে রাখা আরেকটি কলাগাছে আটকে তার ইজিবাইকটি উল্টে যায়।
এ সময় পাশের একটি বাগান থেকে মুখোশ পরিহিত সাতজন ছিনতাইকারী তাকে টেনে নিয়ে যায়। তারা তার গায়ে থাকা চাদর ছিঁড়ে হাত বেঁধে ব্যাপক মারধর করে। একপর্যায়ে তিনজন তাকে আটকে রাখে এবং অপর চারজন ইজিবাইকটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে গাড়িটি উল্টে যাওয়ার ফলে ব্যাটারির তার ছিঁড়ে যাওয়ায় তারা ইজিবাইকটি চালু করতে ব্যর্থ হয়। পরে সুযোগ বুঝে শাহিন তার হাতের বাঁধন খুলে ফেলতে সক্ষম হন। ছিনতাইকারীদের কাছে কোনো ধারালো অস্ত্র না থাকায় তিনি সাহসিকতার সঙ্গে তিনজনের ওপর প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় বাকি চারজনসহ সবাই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, বগুড়ার ভোটে এবার প্রশ্ন একটাই—নাম না যোগ্যতা
পরে তিনি বাড়িতে ফোন করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন