সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। হামলার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা হাতাহাতি, হামলা ও ভাঙচুরে রূপ নেয়। এ সময় একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক হেনস্তার শিকার হন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ, তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা ও দৌলতপুর গ্রামের জাবেদ মিয়াকে আটক করেছে। আটক তিনজনের মধ্যে দুজন আহত। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় টানা তিন দিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা এক বিবৃতিতে বলেন, একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে একজন নারী চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি শান্ত। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেবে। তিনি জানান, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি সত্ত্বেও ইনডোর মেডিকেল অফিসার, রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রাররা দায়িত্ব পালন করায় জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু ছিল।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। হামলার প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের চারতলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা হাতাহাতি, হামলা ও ভাঙচুরে রূপ নেয়। এ সময় একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক হেনস্তার শিকার হন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পুলিশ সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ, তার স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা ও দৌলতপুর গ্রামের জাবেদ মিয়াকে আটক করেছে। আটক তিনজনের মধ্যে দুজন আহত। তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরো পড়ুন , চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় টানা তিন দিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরা এক বিবৃতিতে বলেন, একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ করে একজন নারী চিকিৎসকের ওপর এ ধরনের হামলা ন্যক্কারজনক। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও নার্সদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির যুগান্তরকে বলেন, বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি শান্ত। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) ডা. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে। এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেবে। তিনি জানান, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি সত্ত্বেও ইনডোর মেডিকেল অফিসার, রেজিস্ট্রার ও সহকারী রেজিস্ট্রাররা দায়িত্ব পালন করায় জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু ছিল।

আপনার মতামত লিখুন